সংবাদ

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা প্রকাশ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪০ এএম

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনে একগুচ্ছ নতুন নির্দেশনা ও শর্ত দিয়ে নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি বিদ্যালয়ের মেধাক্রমের সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এই নীতিমালা সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়। পরিপত্রে বলা হয়েছে, অনুমোদিত বা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাই এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। তবে সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক বা সামগ্রিক মূল্যায়নের ফলের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ২০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে মনোনীত করতে হবে।

পরীক্ষার মান ও বিষয় বণ্টন

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা মোট পাঁচটি বিষয়ে ৪০০ নম্বরের হবে। বিষয়গুলো হলো–বাংলা (১০০ নম্বর), ইংরেজি (১০০ নম্বর), গণিত (১০০ নম্বর), বিজ্ঞান (৫০ নম্বর) এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (৫০ নম্বর)। বাংলা, ইংরেজি ও গণিত পরীক্ষার জন্য তিন ঘণ্টা সময় বরাদ্দ থাকবে। বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পরীক্ষা সমন্বিতভাবে ৩ ঘণ্টায় অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রতিটি বিষয়ের জন্য সময় থাকবে দেড় ঘণ্টা।

বিশেষ সুযোগ ও ফি

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে প্রশ্নপত্র তৈরি করা হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বোর্ড ও কেন্দ্র ফি বাবদ মোট ৬০০ টাকা জমা দিতে হবে।

বৃত্তি ও ফলাফল নির্ধারণ

বৃত্তি মূলত ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ–এই দুই শ্রেণিতে দেওয়া হবে। উপজেলা ও থানাভিত্তিক কোটায় ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য সমান সুযোগ (৫০ শতাংশ করে) সংরক্ষিত থাকবে। যদি একাধিক শিক্ষার্থীর নম্বর সমান হয়, তবে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের নম্বর পর্যায়ক্রমে বিবেচনা করে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

শৃঙ্খলা ও তদারকি

পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রগুলোতে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। পরীক্ষা পরিচালনায় কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তার অবহেলা প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক অব্যাহতিসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং মাউশির মহাপরিচালকের নেতৃত্বাধীন নির্বাহী কমিটি সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করবে। জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরীক্ষা কমিটির দায়িত্ব পালন করবেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬


জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা প্রকাশ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনে একগুচ্ছ নতুন নির্দেশনা ও শর্ত দিয়ে নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি বিদ্যালয়ের মেধাক্রমের সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এই নীতিমালা সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়। পরিপত্রে বলা হয়েছে, অনুমোদিত বা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাই এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। তবে সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক বা সামগ্রিক মূল্যায়নের ফলের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ২০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে মনোনীত করতে হবে।

পরীক্ষার মান ও বিষয় বণ্টন

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা মোট পাঁচটি বিষয়ে ৪০০ নম্বরের হবে। বিষয়গুলো হলো–বাংলা (১০০ নম্বর), ইংরেজি (১০০ নম্বর), গণিত (১০০ নম্বর), বিজ্ঞান (৫০ নম্বর) এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (৫০ নম্বর)। বাংলা, ইংরেজি ও গণিত পরীক্ষার জন্য তিন ঘণ্টা সময় বরাদ্দ থাকবে। বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পরীক্ষা সমন্বিতভাবে ৩ ঘণ্টায় অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রতিটি বিষয়ের জন্য সময় থাকবে দেড় ঘণ্টা।

বিশেষ সুযোগ ও ফি

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে প্রশ্নপত্র তৈরি করা হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বোর্ড ও কেন্দ্র ফি বাবদ মোট ৬০০ টাকা জমা দিতে হবে।

বৃত্তি ও ফলাফল নির্ধারণ

বৃত্তি মূলত ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ–এই দুই শ্রেণিতে দেওয়া হবে। উপজেলা ও থানাভিত্তিক কোটায় ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য সমান সুযোগ (৫০ শতাংশ করে) সংরক্ষিত থাকবে। যদি একাধিক শিক্ষার্থীর নম্বর সমান হয়, তবে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের নম্বর পর্যায়ক্রমে বিবেচনা করে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

শৃঙ্খলা ও তদারকি

পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রগুলোতে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। পরীক্ষা পরিচালনায় কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তার অবহেলা প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক অব্যাহতিসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং মাউশির মহাপরিচালকের নেতৃত্বাধীন নির্বাহী কমিটি সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করবে। জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরীক্ষা কমিটির দায়িত্ব পালন করবেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত