বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে মাছ ধরার ট্রলার ‘এফবি বরকত’ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজ পাঁচ জেলের মধ্যে সাইকুল (৩৩) নামের একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল আটটার দিকে তার মরদেহ বাড়িতে আনা হয়। তবে এ ঘটনায় এখনো চারজন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন–পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের নুর আলম (৩৭), কাওসার (৩০), ইব্রাহিম (২৮) ও বেল্লাল (২২)।
এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে প্রচণ্ড ঝড় ও ঢেউয়ের কবলে পড়ে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বাদল মোল্লার মালিকানাধীন ‘এফবি বরকত’ ট্রলারটি বঙ্গোপসাগরে ডুবে যায়। দুর্ঘটনার সময় ট্রলারটিতে মোট ১৩ জন জেলে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের সহায়তায় আটজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও পাঁচজন নিখোঁজ থাকেন।
উদ্ধার হওয়া জেলে ও ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা দুর্ঘটনার ভয়াবহ বর্ণনা দিয়ে জানান, ঘটনার সময় সাগরে প্রচণ্ড ঝড় ও তুফান চলছিল। জেলেরা জাল ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ওই সময় কয়েকজন জেলে ক্লান্ত হয়ে ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ একটি বিশাল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা সাগরে ভেসে থাকার পর আটজন জেলে অন্য একটি ট্রলারের সহায়তায় প্রাণে বাঁচেন।
নিখোঁজদের উদ্ধারে দুর্ঘটনার পরপরই বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে একটি ট্রলার সাগরে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উদ্ধারকারী দল ডুবে যাওয়া ট্রলারটির সন্ধান পায়। পরে ট্রলারের কাছাকাছি গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় সাইকুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘নিখোঁজদের উদ্ধারে সোমবারই আমরা একটি ট্রলার সমুদ্রে পাঠিয়েছিলাম। মঙ্গলবার ডুবে যাওয়া ট্রলারের সন্ধান মেলার পর এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো ১০ জন ডুবুরি উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।’
এদিকে পাথরঘাটা উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেশিনারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন ইসমে ট্রলার মালিকের পক্ষে জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই জেলেদের উদ্ধারে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। নিখোঁজ পাঁচজনের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার হলেও বাকি চারজনকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সাইকুলের মরদেহ উদ্ধারের খবর পৌঁছানোর পর নিখোঁজ বাকি চার জেলের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সাগরে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে।
/

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে মাছ ধরার ট্রলার ‘এফবি বরকত’ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজ পাঁচ জেলের মধ্যে সাইকুল (৩৩) নামের একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল আটটার দিকে তার মরদেহ বাড়িতে আনা হয়। তবে এ ঘটনায় এখনো চারজন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন–পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের নুর আলম (৩৭), কাওসার (৩০), ইব্রাহিম (২৮) ও বেল্লাল (২২)।
এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে প্রচণ্ড ঝড় ও ঢেউয়ের কবলে পড়ে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বাদল মোল্লার মালিকানাধীন ‘এফবি বরকত’ ট্রলারটি বঙ্গোপসাগরে ডুবে যায়। দুর্ঘটনার সময় ট্রলারটিতে মোট ১৩ জন জেলে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের সহায়তায় আটজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও পাঁচজন নিখোঁজ থাকেন।
উদ্ধার হওয়া জেলে ও ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা দুর্ঘটনার ভয়াবহ বর্ণনা দিয়ে জানান, ঘটনার সময় সাগরে প্রচণ্ড ঝড় ও তুফান চলছিল। জেলেরা জাল ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ওই সময় কয়েকজন জেলে ক্লান্ত হয়ে ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ একটি বিশাল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা সাগরে ভেসে থাকার পর আটজন জেলে অন্য একটি ট্রলারের সহায়তায় প্রাণে বাঁচেন।
নিখোঁজদের উদ্ধারে দুর্ঘটনার পরপরই বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে একটি ট্রলার সাগরে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উদ্ধারকারী দল ডুবে যাওয়া ট্রলারটির সন্ধান পায়। পরে ট্রলারের কাছাকাছি গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় সাইকুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘নিখোঁজদের উদ্ধারে সোমবারই আমরা একটি ট্রলার সমুদ্রে পাঠিয়েছিলাম। মঙ্গলবার ডুবে যাওয়া ট্রলারের সন্ধান মেলার পর এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো ১০ জন ডুবুরি উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।’
এদিকে পাথরঘাটা উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেশিনারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন ইসমে ট্রলার মালিকের পক্ষে জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই জেলেদের উদ্ধারে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। নিখোঁজ পাঁচজনের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার হলেও বাকি চারজনকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সাইকুলের মরদেহ উদ্ধারের খবর পৌঁছানোর পর নিখোঁজ বাকি চার জেলের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সাগরে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে।
/

আপনার মতামত লিখুন