গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যে ভঙ্গুর অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল, বিগত ছয় মাসের প্রচেষ্টায় সেই অবস্থান অনেক উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি
জানান, বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে মনোবল ফিরে এসেছে এবং
তারা সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে অপরাধ দমনে
নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বুধবার
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক দোয়া ও
মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বর্তমান
বিশ্বের বিভিন্ন সংকটের কথা উল্লেখ করে
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধবিগ্রহ ও অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার
মূলে রয়েছে স্বার্থের সংঘাত। যদি সবাই রাসুলুল্লাহ
(সা.)-এর শান্তির মহানবাণী
ও আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে ন্যায়বিচার
এবং অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করে, তবে সমাজে
কোনো বিশৃঙ্খলা থাকবে না।
সরকারের
ছয় মাসের কাজের ফিরিস্তি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরও বলেন, "দায়িত্ব নেওয়ার পরে এমন কোনো
অপরাধ নেই, যা সংঘটিত
হওয়ার পরপরই পুলিশ বাহিনী আসামি গ্রেফতার করতে পারেনি বা
বিচারের আওতায় আনতে পারেনি। রংপুরের
ঘটনা বা সম্প্রতি আলোচিত
রামিশা হত্যাসহ প্রতিটি অপরাধ আমরা সফলভাবে অ্যাড্রেস
করতে পেরেছি এবং যথাযথ আইনি
প্রক্রিয়ায় আদালতের কাছে সোপর্দ করতে
পেরেছি।"
আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের
পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
আধুনিকায়ন, মনোবল বৃদ্ধি এবং তাদের জনগণের
সত্যিকারের সেবক হিসেবে গড়ে
তোলার কাজ একসঙ্গে চালিয়ে
যাওয়া হচ্ছে। অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীর আইনি কাঠামোতে পরিবর্তন
এনে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত
করা হচ্ছে। ভালো কাজের জন্য
তাদের পদক ও পুরস্কার
দেওয়া হলেও 'দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন'
নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।
সবশেষে
দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, "রাতারাতি
বৈপ্লবিক পরিবর্তন কেউ আশা করতে
পারি না। ইনশাল্লাহ প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় আমরা
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে এমন একটি সন্তোষজনক
পর্যায়ে উন্নীত করতে পারব, যেখানে
আমাদের এই বাহিনী সম্পূর্ণভাবে
একটি জনপ্রত্যাশিত ও জনবান্ধব পুলিশ
বাহিনীতে পরিণত হবে।"
অনুষ্ঠানে
দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা
উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যে ভঙ্গুর অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল, বিগত ছয় মাসের প্রচেষ্টায় সেই অবস্থান অনেক উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি
জানান, বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে মনোবল ফিরে এসেছে এবং
তারা সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে অপরাধ দমনে
নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বুধবার
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক দোয়া ও
মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বর্তমান
বিশ্বের বিভিন্ন সংকটের কথা উল্লেখ করে
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধবিগ্রহ ও অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার
মূলে রয়েছে স্বার্থের সংঘাত। যদি সবাই রাসুলুল্লাহ
(সা.)-এর শান্তির মহানবাণী
ও আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে ন্যায়বিচার
এবং অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করে, তবে সমাজে
কোনো বিশৃঙ্খলা থাকবে না।
সরকারের
ছয় মাসের কাজের ফিরিস্তি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরও বলেন, "দায়িত্ব নেওয়ার পরে এমন কোনো
অপরাধ নেই, যা সংঘটিত
হওয়ার পরপরই পুলিশ বাহিনী আসামি গ্রেফতার করতে পারেনি বা
বিচারের আওতায় আনতে পারেনি। রংপুরের
ঘটনা বা সম্প্রতি আলোচিত
রামিশা হত্যাসহ প্রতিটি অপরাধ আমরা সফলভাবে অ্যাড্রেস
করতে পেরেছি এবং যথাযথ আইনি
প্রক্রিয়ায় আদালতের কাছে সোপর্দ করতে
পেরেছি।"
আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের
পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
আধুনিকায়ন, মনোবল বৃদ্ধি এবং তাদের জনগণের
সত্যিকারের সেবক হিসেবে গড়ে
তোলার কাজ একসঙ্গে চালিয়ে
যাওয়া হচ্ছে। অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীর আইনি কাঠামোতে পরিবর্তন
এনে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত
করা হচ্ছে। ভালো কাজের জন্য
তাদের পদক ও পুরস্কার
দেওয়া হলেও 'দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন'
নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।
সবশেষে
দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, "রাতারাতি
বৈপ্লবিক পরিবর্তন কেউ আশা করতে
পারি না। ইনশাল্লাহ প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় আমরা
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে এমন একটি সন্তোষজনক
পর্যায়ে উন্নীত করতে পারব, যেখানে
আমাদের এই বাহিনী সম্পূর্ণভাবে
একটি জনপ্রত্যাশিত ও জনবান্ধব পুলিশ
বাহিনীতে পরিণত হবে।"
অনুষ্ঠানে
দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা
উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন