রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশের এসআই আবু সাইদ বাবলার নেতৃত্বে তিন কনস্টেবল তিন যুবককে মাদক ব্যবসায়ী ট্যাগ দিয়ে অস্ত্রের মুখে মোটরসাইকেলে তুলে আবাসিক হোটেল ও ডিবি অফিসে এনে অকথ্য নির্যাতন ও ৩ লাখ ৭৪ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বুলবুল আহাম্মেদ রংপুর মেট্রোপলিটান পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে এসআই আবু সাইদ বাবলা, কনস্টেবল আতিক, ডিবি এডিসি শরিফুল ইসলামের বডিগার্ড কনস্টেবল মোসলেম উদ্দিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১৯ আগস্ট তিন বন্ধু- হাবিব হাসান লিমন, বিপ্লব হোসেন ও বুলবুল আহাম্মেদ-নতুন মোবাইল ফোন কিনতে রংপুর নগরীতে আসেন। কিন্তু পছন্দের ফোন দামে না পাওয়ায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন তারা।
নগরীর বুড়িরহাট সংলগ্ন আনান সিটির সামনে পৌঁছালে ডিবি পুলিশের এসআই আবু সাইদ বাবলার নেতৃত্বে ৮ সদস্যের একটি দল তাদের গতিরোধ করে। কোনো কারণ না জানিয়ে দেহ তল্লাশি করে তাদের কাছে থাকা ৭৪ হাজার টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়।
এরপর তাদের জোর করে মোটরসাইকেলে তুলে জাহাজ কোম্পানি এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে হাতকড়া পরিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে রাত আনুমানিক ৩টায় তাদের ডিবি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।
ডিবি অফিসে বুলবুলের মোবাইল ফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি নম্বরে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। আটক তিন যুবকের পরিবারের কাছে টাকা পাঠানোর জন্য ফোন করে তাদের পায়ের তলায় মারধর করা হয়।
পরদিন ভোর ৬টায় ডিবি পুলিশের দুই সদস্য গঙ্গাচড়া থানাধীন মহিপুর ব্রিজে গিয়ে ভুক্তভোগীদের পরিবারের পাঠানো ৩ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। পরে দুপুর ১২টার দিকে তিনটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে তাদের মোটরসাইকেল ফেরত দিলেও তিনটি মোবাইল ফোন এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি।
রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসআই বাবলার মোবাইল ফোনের সিডিআর পরীক্ষা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। আমরা ব্যবস্থা নেব।’
ভুক্তভোগীরা জানান, হোটেল ও ডিবি অফিসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং মোবাইলে টাকা চাওয়ার কথোপকথনের রেকর্ড তাদের কাছে রয়েছে। তবে এখনও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি; বরং তারা উল্টো হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই আবু সাইদ বাবলার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশের এসআই আবু সাইদ বাবলার নেতৃত্বে তিন কনস্টেবল তিন যুবককে মাদক ব্যবসায়ী ট্যাগ দিয়ে অস্ত্রের মুখে মোটরসাইকেলে তুলে আবাসিক হোটেল ও ডিবি অফিসে এনে অকথ্য নির্যাতন ও ৩ লাখ ৭৪ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বুলবুল আহাম্মেদ রংপুর মেট্রোপলিটান পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে এসআই আবু সাইদ বাবলা, কনস্টেবল আতিক, ডিবি এডিসি শরিফুল ইসলামের বডিগার্ড কনস্টেবল মোসলেম উদ্দিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১৯ আগস্ট তিন বন্ধু- হাবিব হাসান লিমন, বিপ্লব হোসেন ও বুলবুল আহাম্মেদ-নতুন মোবাইল ফোন কিনতে রংপুর নগরীতে আসেন। কিন্তু পছন্দের ফোন দামে না পাওয়ায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন তারা।
নগরীর বুড়িরহাট সংলগ্ন আনান সিটির সামনে পৌঁছালে ডিবি পুলিশের এসআই আবু সাইদ বাবলার নেতৃত্বে ৮ সদস্যের একটি দল তাদের গতিরোধ করে। কোনো কারণ না জানিয়ে দেহ তল্লাশি করে তাদের কাছে থাকা ৭৪ হাজার টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়।
এরপর তাদের জোর করে মোটরসাইকেলে তুলে জাহাজ কোম্পানি এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে হাতকড়া পরিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে রাত আনুমানিক ৩টায় তাদের ডিবি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।
ডিবি অফিসে বুলবুলের মোবাইল ফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি নম্বরে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। আটক তিন যুবকের পরিবারের কাছে টাকা পাঠানোর জন্য ফোন করে তাদের পায়ের তলায় মারধর করা হয়।
পরদিন ভোর ৬টায় ডিবি পুলিশের দুই সদস্য গঙ্গাচড়া থানাধীন মহিপুর ব্রিজে গিয়ে ভুক্তভোগীদের পরিবারের পাঠানো ৩ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। পরে দুপুর ১২টার দিকে তিনটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে তাদের মোটরসাইকেল ফেরত দিলেও তিনটি মোবাইল ফোন এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি।
রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসআই বাবলার মোবাইল ফোনের সিডিআর পরীক্ষা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। আমরা ব্যবস্থা নেব।’
ভুক্তভোগীরা জানান, হোটেল ও ডিবি অফিসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং মোবাইলে টাকা চাওয়ার কথোপকথনের রেকর্ড তাদের কাছে রয়েছে। তবে এখনও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি; বরং তারা উল্টো হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই আবু সাইদ বাবলার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আপনার মতামত লিখুন