নওগাঁর মান্দায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে ডাকাতি করতে গিয়ে জনরোষের মুখে পড়েছে আন্তজেলা ডাকাত চক্রের তিন সদস্য। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার পারইটুঙ্গি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে একটি হাতকড়া (হ্যান্ডকাফ), লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন উদ্ধার করেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার মানিক হোসেন (৩৪) ও এনামুল হক এবং ফুলবাড়ী উপজেলার মাহবুব হাসান মুন্না (৩৯)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে ওই তিন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে পারইটুঙ্গি গ্রামের বিপুল কুমারের বাড়িতে জোরপূর্বক ঢুকে পড়ে। ঘরে ঢুকেই তারা বিপুলের বাবা শুকুমার চন্দ্র ও চাচা সবুজ কুমারের হাতে হাতকড়া পরিয়ে দেন। এরপর পরিবারের নারী সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তল্লাশির নামে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন লুট করে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে তাদের আচরণ ও কথাবার্তায় বাড়ির মালিক ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া দেয়। ধাওয়ার মুখে তারা সীমান্তবর্তী রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার সিমলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় জনতা তাদের ঘিরে ফেলে গণধোলাই দেয়।
খবর পেয়ে মান্দা থানার পুলিশ বাগমারা থানা-পুলিশের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে তাদের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় মামলা করা হয়েছে। আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর মান্দায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে ডাকাতি করতে গিয়ে জনরোষের মুখে পড়েছে আন্তজেলা ডাকাত চক্রের তিন সদস্য। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার পারইটুঙ্গি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে একটি হাতকড়া (হ্যান্ডকাফ), লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন উদ্ধার করেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার মানিক হোসেন (৩৪) ও এনামুল হক এবং ফুলবাড়ী উপজেলার মাহবুব হাসান মুন্না (৩৯)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে ওই তিন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে পারইটুঙ্গি গ্রামের বিপুল কুমারের বাড়িতে জোরপূর্বক ঢুকে পড়ে। ঘরে ঢুকেই তারা বিপুলের বাবা শুকুমার চন্দ্র ও চাচা সবুজ কুমারের হাতে হাতকড়া পরিয়ে দেন। এরপর পরিবারের নারী সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তল্লাশির নামে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন লুট করে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে তাদের আচরণ ও কথাবার্তায় বাড়ির মালিক ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া দেয়। ধাওয়ার মুখে তারা সীমান্তবর্তী রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার সিমলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় জনতা তাদের ঘিরে ফেলে গণধোলাই দেয়।
খবর পেয়ে মান্দা থানার পুলিশ বাগমারা থানা-পুলিশের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে তাদের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় মামলা করা হয়েছে। আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন