বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন তার উত্তরবঙ্গ সফরের শেষ দিনে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুরের লোকজ ঐতিহ্য ও স্থাপত্যশৈলী দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। সকালে স্ত্রী ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে তিনি প্রথমে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা এলাকায় অবস্থিত ‘লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘর’ পরিদর্শনে যান।
জাদুঘরে পৌঁছালে রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) প্রতিষ্ঠাতা ও জাদুঘরটির চেয়ারম্যান ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান। এ সময় তাদের সামনে স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি, মণ্ডা ও বিভিন্ন পদের পিঠা পরিবেশন করা হয়। রাষ্ট্রদূত শুধু খাবার উপভোগই করেননি, গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়িতে চড়েও আনন্দ প্রকাশ করেন।
জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখার সময় রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের নদ-নদীর বৈচিত্র্য দেখে অবাক হন। বিশেষ করে নদী গ্যালারিতে সংরক্ষিত বিশ্বের ৩৯৪টি নদীর পানি এবং ২৫০ প্রজাতির জীবন্ত বৃক্ষসংবলিত বৃক্ষ গ্যালারি তার বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এ ছাড়া ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনধারা, দেশীয় বাদ্যযন্ত্র এবং মহান মুক্তিযুদ্ধ গ্যালারি ঘুরে দেখেন তিনি। ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘এখানকার আতিথেয়তা ও লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।’
এরপর রাষ্ট্রদূত সস্ত্রীক দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দির পরিদর্শনে যান। সেখানে পৌঁছালে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীরা নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে তাদের স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত মন্দিরে প্রদীপ প্রজ্বলন ও আরতিতে অংশ নেন এবং টেরাকোটা স্থাপত্যশৈলী ঘুরে দেখেন। মন্দির প্রাঙ্গণে তিনি একটি ‘ক্রিসমাস’ গাছ রোপণ করেন। পরে তিনি নিকটস্থ নয়াবাদ মসজিদও পরিদর্শন করেন।
তিন দিনের এই সফরে রাষ্ট্রদূত এর আগে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাচীন সূর্যপুরী আমগাছ, সমতল ভূমির চা-বাগান এবং লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
/

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন তার উত্তরবঙ্গ সফরের শেষ দিনে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুরের লোকজ ঐতিহ্য ও স্থাপত্যশৈলী দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। সকালে স্ত্রী ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে তিনি প্রথমে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা এলাকায় অবস্থিত ‘লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘর’ পরিদর্শনে যান।
জাদুঘরে পৌঁছালে রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) প্রতিষ্ঠাতা ও জাদুঘরটির চেয়ারম্যান ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান। এ সময় তাদের সামনে স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি, মণ্ডা ও বিভিন্ন পদের পিঠা পরিবেশন করা হয়। রাষ্ট্রদূত শুধু খাবার উপভোগই করেননি, গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়িতে চড়েও আনন্দ প্রকাশ করেন।
জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখার সময় রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের নদ-নদীর বৈচিত্র্য দেখে অবাক হন। বিশেষ করে নদী গ্যালারিতে সংরক্ষিত বিশ্বের ৩৯৪টি নদীর পানি এবং ২৫০ প্রজাতির জীবন্ত বৃক্ষসংবলিত বৃক্ষ গ্যালারি তার বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এ ছাড়া ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনধারা, দেশীয় বাদ্যযন্ত্র এবং মহান মুক্তিযুদ্ধ গ্যালারি ঘুরে দেখেন তিনি। ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘এখানকার আতিথেয়তা ও লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।’
এরপর রাষ্ট্রদূত সস্ত্রীক দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দির পরিদর্শনে যান। সেখানে পৌঁছালে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীরা নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে তাদের স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত মন্দিরে প্রদীপ প্রজ্বলন ও আরতিতে অংশ নেন এবং টেরাকোটা স্থাপত্যশৈলী ঘুরে দেখেন। মন্দির প্রাঙ্গণে তিনি একটি ‘ক্রিসমাস’ গাছ রোপণ করেন। পরে তিনি নিকটস্থ নয়াবাদ মসজিদও পরিদর্শন করেন।
তিন দিনের এই সফরে রাষ্ট্রদূত এর আগে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাচীন সূর্যপুরী আমগাছ, সমতল ভূমির চা-বাগান এবং লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
/

আপনার মতামত লিখুন