সংবাদ

বড় ঋণে ১৫ বছরের পুনঃতফসিল সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংকের


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫১ পিএম

বড় ঋণে ১৫ বছরের পুনঃতফসিল সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংকের
ছ‌বি: সংগৃ‌হিত

দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের চাপ কমানোর লক্ষ্যে বড় অঙ্কের ঋণগ্রহীতাদের জন্য নীতিগত সহায়তার পরিধি বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ হাজার কোটি টাকা বা তার চেয়ে বেশি পরিমাণের ঋণ রয়েছে এমন প্রাতিষ্ঠানিক বা গ্রুপ গ্রাহকদের ঋণ পুনঃতফসিলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত সময় দেওয়া হবে।
একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ২ বছরের গ্রেস পিরিয়ড বা কিস্তি স্থগিতের সুবিধাও দেওয়া যাবে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
​কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যবসায়িক বা আর্থিক ক্ষতিতে পড়া যেসব প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধের সুবিধা প্রয়োজন, তারা নীতি সহায়তার জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিজ নিজ ব্যাংকে নতুন করে আবেদন করতে পারবে। ১ হাজার কোটি টাকা বা তদূর্ধ্ব ঋণস্থিতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের বিশেষ পুনঃতফসিলের আবেদন বিবেচনা করার ক্ষেত্রে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলো এই ১৫ বছরের মেয়াদ ও ২ বছরের গ্রেস পিরিয়ড নির্ধারণ করতে পারবে।
অন্যদিকে, বিশেষ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে আগে নির্ধারিত মেয়াদের সাথে অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৪ বছর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
​তবে ১ হাজার কোটি টাকার কম ঋণ রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপগুলোর বিশেষ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের সুবিধা আগের নিয়মেই বহাল থাকবে।
এক্ষেত্রে ২০২৫ সালের নীতিমালায় নির্ধারিত মেয়াদ ও সুবিধাই কার্যকর রাখা হচ্ছে। যেসব বড় প্রতিষ্ঠান আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা বা বাছাই কমিটির মাধ্যমে নীতি সহায়তা গ্রহণ করেছিল, তারাও প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই নতুন ব্যবস্থার আওতায় আসার সুযোগ পাবে। তাদের ক্ষেত্রে পূর্বে অতিক্রান্ত হওয়া গ্রেস পিরিয়ড সমন্বয় করে নতুন মেয়াদের সাথে হিসাব করা হবে।
​জারি করা সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাওয়া আবেদনগুলোর মধ্যে অশ্রেণিকৃত ঋণকে বিশেষ পুনর্গঠন এবং শ্রেণিকৃত ঋণকে বিশেষ পুনঃতফসিলের সুবিধায় রূপান্তর করা যাবে। নীতি সহায়তা পাওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে ঋণগ্রহীতাকে প্রয়োজনীয় ডাউনপেমেন্ট জমা দিতে হবে এবং আবেদন পাওয়ার পর ব্যাংকগুলোকে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তা পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তি করতে হবে।
নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়, বিষয়টির সাথে সম্পর্কিত পূর্ববর্তী সার্কুলারের অন্যান্য বিধানগুলো অপরিবর্তিত থাকবে এবং এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬


বড় ঋণে ১৫ বছরের পুনঃতফসিল সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংকের

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের চাপ কমানোর লক্ষ্যে বড় অঙ্কের ঋণগ্রহীতাদের জন্য নীতিগত সহায়তার পরিধি বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ হাজার কোটি টাকা বা তার চেয়ে বেশি পরিমাণের ঋণ রয়েছে এমন প্রাতিষ্ঠানিক বা গ্রুপ গ্রাহকদের ঋণ পুনঃতফসিলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত সময় দেওয়া হবে।
একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ২ বছরের গ্রেস পিরিয়ড বা কিস্তি স্থগিতের সুবিধাও দেওয়া যাবে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
​কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যবসায়িক বা আর্থিক ক্ষতিতে পড়া যেসব প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধের সুবিধা প্রয়োজন, তারা নীতি সহায়তার জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিজ নিজ ব্যাংকে নতুন করে আবেদন করতে পারবে। ১ হাজার কোটি টাকা বা তদূর্ধ্ব ঋণস্থিতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের বিশেষ পুনঃতফসিলের আবেদন বিবেচনা করার ক্ষেত্রে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলো এই ১৫ বছরের মেয়াদ ও ২ বছরের গ্রেস পিরিয়ড নির্ধারণ করতে পারবে।
অন্যদিকে, বিশেষ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে আগে নির্ধারিত মেয়াদের সাথে অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৪ বছর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
​তবে ১ হাজার কোটি টাকার কম ঋণ রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপগুলোর বিশেষ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের সুবিধা আগের নিয়মেই বহাল থাকবে।
এক্ষেত্রে ২০২৫ সালের নীতিমালায় নির্ধারিত মেয়াদ ও সুবিধাই কার্যকর রাখা হচ্ছে। যেসব বড় প্রতিষ্ঠান আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা বা বাছাই কমিটির মাধ্যমে নীতি সহায়তা গ্রহণ করেছিল, তারাও প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই নতুন ব্যবস্থার আওতায় আসার সুযোগ পাবে। তাদের ক্ষেত্রে পূর্বে অতিক্রান্ত হওয়া গ্রেস পিরিয়ড সমন্বয় করে নতুন মেয়াদের সাথে হিসাব করা হবে।
​জারি করা সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাওয়া আবেদনগুলোর মধ্যে অশ্রেণিকৃত ঋণকে বিশেষ পুনর্গঠন এবং শ্রেণিকৃত ঋণকে বিশেষ পুনঃতফসিলের সুবিধায় রূপান্তর করা যাবে। নীতি সহায়তা পাওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে ঋণগ্রহীতাকে প্রয়োজনীয় ডাউনপেমেন্ট জমা দিতে হবে এবং আবেদন পাওয়ার পর ব্যাংকগুলোকে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তা পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তি করতে হবে।
নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়, বিষয়টির সাথে সম্পর্কিত পূর্ববর্তী সার্কুলারের অন্যান্য বিধানগুলো অপরিবর্তিত থাকবে এবং এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত