যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। রবি (৩০ আগস্ট) ও সোমবার (৩১ আগস্ট)–এই দুই দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কুকুরের কামড়ে শিশুসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে আক্রান্তরা শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। কুকুরের এমন তাণ্ডবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
আক্রান্তদের মধ্যে বেনাপোল পোর্ট থানার আমড়াখালী গ্রামের সোহান হোসেন (২৯), সিরাজুল ইসলাম (৪৫), মোরশেদ আলী (৫০), মহিউদ্দিন (৫৫), কবির হোসেন (৩৫), আছিয়া খাতুন (৩৫), আনোয়ারা খাতুন (৪৫) ও শার্শার আব্দুল বাকীর (১৮) পরিচয় পাওয়া গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার ও সোমবার সকালে একদল কুকুর সংঘবদ্ধভাবে আমড়াখালী এলাকায় তাণ্ডব চালায়। দলবদ্ধ কুকুরগুলো পথে যাকে পেয়েছে, তাকেই কামড় দিয়েছে। আমড়াখালী ও কাগমারী গ্রামেই এক ঘণ্টার ব্যবধানে অন্তত ২০ জন আক্রান্ত হন। এছাড়া উপজেলার অন্যান্য গ্রাম মিলিয়ে আহতের সংখ্যা অর্ধশতাধিক ছাড়িয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর জখম অবস্থায় অন্তত ৩০ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আমড়াখালী গ্রামের বাসিন্দা জাহান আলী বলেন, ‘কুকুরের ভয়ে মানুষ এখন ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছে। শিশুরা স্কুলে যেতে পারছে না। দলবদ্ধ কুকুরগুলো হঠাৎ করে গ্রামে ঢুকে মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই।’
এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তপু কুমার সাহা জানান, বর্তমানে কুকুরের প্রজনন সময় চলায় তারা কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে। বেওয়ারিশ বা পাগলা কুকুর কামড়ালে জলাতঙ্ক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই পোষা কুকুরকে নিয়মিত টিকা দেওয়ার পাশাপাশি অপরিচিত কুকুরের থেকে সাবধান থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌফিক পারভেজ বলেন, ‘গত দুই দিনে কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে অনেক রোগী হাসপাতালে এসেছেন। আমরা সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও সরকারিভাবে সরবরাহকৃত ভ্যাকসিন দিয়েছি। কুকুরে কামড়ালে অবহেলা না করে দ্রুত হাসপাতালে আসা উচিত। এছাড়া আক্রান্ত স্থানটি অন্তত ১৫ মিনিট ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে ধুলে ভাইরাসের তীব্রতা অনেক কমে যায়।’ হাসপাতালে ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। রবি (৩০ আগস্ট) ও সোমবার (৩১ আগস্ট)–এই দুই দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কুকুরের কামড়ে শিশুসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে আক্রান্তরা শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। কুকুরের এমন তাণ্ডবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
আক্রান্তদের মধ্যে বেনাপোল পোর্ট থানার আমড়াখালী গ্রামের সোহান হোসেন (২৯), সিরাজুল ইসলাম (৪৫), মোরশেদ আলী (৫০), মহিউদ্দিন (৫৫), কবির হোসেন (৩৫), আছিয়া খাতুন (৩৫), আনোয়ারা খাতুন (৪৫) ও শার্শার আব্দুল বাকীর (১৮) পরিচয় পাওয়া গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার ও সোমবার সকালে একদল কুকুর সংঘবদ্ধভাবে আমড়াখালী এলাকায় তাণ্ডব চালায়। দলবদ্ধ কুকুরগুলো পথে যাকে পেয়েছে, তাকেই কামড় দিয়েছে। আমড়াখালী ও কাগমারী গ্রামেই এক ঘণ্টার ব্যবধানে অন্তত ২০ জন আক্রান্ত হন। এছাড়া উপজেলার অন্যান্য গ্রাম মিলিয়ে আহতের সংখ্যা অর্ধশতাধিক ছাড়িয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর জখম অবস্থায় অন্তত ৩০ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আমড়াখালী গ্রামের বাসিন্দা জাহান আলী বলেন, ‘কুকুরের ভয়ে মানুষ এখন ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছে। শিশুরা স্কুলে যেতে পারছে না। দলবদ্ধ কুকুরগুলো হঠাৎ করে গ্রামে ঢুকে মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই।’
এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তপু কুমার সাহা জানান, বর্তমানে কুকুরের প্রজনন সময় চলায় তারা কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে। বেওয়ারিশ বা পাগলা কুকুর কামড়ালে জলাতঙ্ক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই পোষা কুকুরকে নিয়মিত টিকা দেওয়ার পাশাপাশি অপরিচিত কুকুরের থেকে সাবধান থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌফিক পারভেজ বলেন, ‘গত দুই দিনে কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে অনেক রোগী হাসপাতালে এসেছেন। আমরা সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও সরকারিভাবে সরবরাহকৃত ভ্যাকসিন দিয়েছি। কুকুরে কামড়ালে অবহেলা না করে দ্রুত হাসপাতালে আসা উচিত। এছাড়া আক্রান্ত স্থানটি অন্তত ১৫ মিনিট ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে ধুলে ভাইরাসের তীব্রতা অনেক কমে যায়।’ হাসপাতালে ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন