রংপুরের স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার মূল কারণ মাদক বলে মন্তব্য করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও রংপুর মহানগর মহিলা দলের সভাপতি রেজকা সুলতানা ফ্যান্সি। মঙ্গলবার(১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর মাসুয়াপাড়া এলাকায় নিহত শিক্ষকের বাড়ি ও অকুস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।
অ্যাডভোকেট রেজকা সুলতানা ফ্যান্সি বলেন, মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় এই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তিনি পুলিশকে মামলাটির তদন্ত নির্ভুলভাবে শেষ করার জন্য আরও সময় দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘পুলিশকে পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ দিলে আশা করি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা নিশ্চিত করা হবে। মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া পর্যন্ত আমাদের একটু ধৈর্য ধরা উচিত।’
সাংসদ ফ্যান্সি আরও উল্লেখ করেন, দেশে এর আগেও এমন লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে এবং পুলিশ দ্রুততম সময়ে আসামিদের গ্রেপ্তার ও অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। রংপুরের এই ঘটনার ক্ষেত্রেও পুলিশ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই খুনিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে এবং আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আইনি কিছু জটিলতার কারণে আসামিদের ডোপ টেস্ট করাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মাদককে দেশের ‘এক নম্বর সমস্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, মাদকের টাকার জন্য মানুষ তার নিকটাত্মীয়দেরও হত্যা করতে দ্বিধা করছে না। শুধু আইন বা পুলিশ দিয়ে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; সমাজ ও পরিবারকে সচেতন হতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে হবে।
এর আগে দুপুরে তিনি গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে পৌঁছালে পাহারায় থাকা পুলিশ সদস্যরা ফটক খুলে দেন। সাংসদ ভবনের নিচতলা ঘুরে দেখেন এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলেন। তবে পুলিশের ‘ক্রাইম সিন’ চিহ্নিত এলাকা হওয়ায় তিনি হত্যাকাণ্ডের মূল অকুস্থলে প্রবেশ করেননি।
\

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুরের স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার মূল কারণ মাদক বলে মন্তব্য করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও রংপুর মহানগর মহিলা দলের সভাপতি রেজকা সুলতানা ফ্যান্সি। মঙ্গলবার(১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর মাসুয়াপাড়া এলাকায় নিহত শিক্ষকের বাড়ি ও অকুস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।
অ্যাডভোকেট রেজকা সুলতানা ফ্যান্সি বলেন, মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় এই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তিনি পুলিশকে মামলাটির তদন্ত নির্ভুলভাবে শেষ করার জন্য আরও সময় দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘পুলিশকে পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ দিলে আশা করি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা নিশ্চিত করা হবে। মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া পর্যন্ত আমাদের একটু ধৈর্য ধরা উচিত।’
সাংসদ ফ্যান্সি আরও উল্লেখ করেন, দেশে এর আগেও এমন লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে এবং পুলিশ দ্রুততম সময়ে আসামিদের গ্রেপ্তার ও অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। রংপুরের এই ঘটনার ক্ষেত্রেও পুলিশ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই খুনিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে এবং আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আইনি কিছু জটিলতার কারণে আসামিদের ডোপ টেস্ট করাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মাদককে দেশের ‘এক নম্বর সমস্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, মাদকের টাকার জন্য মানুষ তার নিকটাত্মীয়দেরও হত্যা করতে দ্বিধা করছে না। শুধু আইন বা পুলিশ দিয়ে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; সমাজ ও পরিবারকে সচেতন হতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে হবে।
এর আগে দুপুরে তিনি গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে পৌঁছালে পাহারায় থাকা পুলিশ সদস্যরা ফটক খুলে দেন। সাংসদ ভবনের নিচতলা ঘুরে দেখেন এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলেন। তবে পুলিশের ‘ক্রাইম সিন’ চিহ্নিত এলাকা হওয়ায় তিনি হত্যাকাণ্ডের মূল অকুস্থলে প্রবেশ করেননি।
\

আপনার মতামত লিখুন