জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও পানিসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় বিশ্বব্যাংকের আরও জোরালো সহযোগিতা চেয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের মিশন প্রধান জ্যাঁ পেসমে’র সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।
সভায় পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে বন্যা, নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, লবণাক্ততা ও খরার মতো চ্যালেঞ্জগুলো ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় আমাদের সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।’ তিনি আরও জানান, সরকারের পক্ষ থেকে বর্তমানে নদী-খাল খনন ও পুনঃখননসহ নদীভাঙন রোধে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
জবাবে বিশ্বব্যাংকের মিশন প্রধান জ্যাঁ পেসমে বাংলাদেশের পানিসম্পদ উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে তাদের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
মতবিনিময় সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বর্তমানে চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
\

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও পানিসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় বিশ্বব্যাংকের আরও জোরালো সহযোগিতা চেয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের মিশন প্রধান জ্যাঁ পেসমে’র সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।
সভায় পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে বন্যা, নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, লবণাক্ততা ও খরার মতো চ্যালেঞ্জগুলো ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় আমাদের সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।’ তিনি আরও জানান, সরকারের পক্ষ থেকে বর্তমানে নদী-খাল খনন ও পুনঃখননসহ নদীভাঙন রোধে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
জবাবে বিশ্বব্যাংকের মিশন প্রধান জ্যাঁ পেসমে বাংলাদেশের পানিসম্পদ উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে তাদের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
মতবিনিময় সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বর্তমানে চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
\

আপনার মতামত লিখুন