সংবাদ

তিন বছরে বন্ধ ৪ শতাধিক গার্মেন্টস: বাণিজ্যমন্ত্রী


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৪ পিএম

তিন বছরে বন্ধ ৪ শতাধিক গার্মেন্টস: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে গত তিন বছরে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সদস্যভুক্ত ৪০২টি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জামায়াতের সংসদ সদস্য রুহুল আমিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ তথ্য জানান। বন্ধ কারখানাগুলোর মধ্যে বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত ২৮২টি এবং বিকেএমইএর সদস্যভুক্ত ১২০টি রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, ব্যাংকিং তারল্য সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও বিদেশি ক্রেতাদের অর্ডার কমে যাওয়া- একাধিক কারণ একসঙ্গে এই সংকট তৈরি করেছে।

এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর বাংলাদেশ বর্তমানে যে অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পাচ্ছে, তার বড় অংশ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে রপ্তানি খাতে- প্রায় ১৭.৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে সংসদে জানান মন্ত্রী।

এই ঝুঁকি মোকাবিলায় জাপানের সঙ্গে ইপিএ সম্পাদিত হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সিইপিএ প্রক্রিয়াধীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আরসিইপি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া ও চীনের সঙ্গেও বাণিজ্য চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পোশাক রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৪ হাজার ৫০৫ মিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের জুলাইয়ে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৮৬ মিলিয়ন ডলার।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


তিন বছরে বন্ধ ৪ শতাধিক গার্মেন্টস: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে গত তিন বছরে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সদস্যভুক্ত ৪০২টি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জামায়াতের সংসদ সদস্য রুহুল আমিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ তথ্য জানান। বন্ধ কারখানাগুলোর মধ্যে বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত ২৮২টি এবং বিকেএমইএর সদস্যভুক্ত ১২০টি রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, ব্যাংকিং তারল্য সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও বিদেশি ক্রেতাদের অর্ডার কমে যাওয়া- একাধিক কারণ একসঙ্গে এই সংকট তৈরি করেছে।

এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর বাংলাদেশ বর্তমানে যে অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পাচ্ছে, তার বড় অংশ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে রপ্তানি খাতে- প্রায় ১৭.৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে সংসদে জানান মন্ত্রী।

এই ঝুঁকি মোকাবিলায় জাপানের সঙ্গে ইপিএ সম্পাদিত হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সিইপিএ প্রক্রিয়াধীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আরসিইপি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া ও চীনের সঙ্গেও বাণিজ্য চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পোশাক রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৪ হাজার ৫০৫ মিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের জুলাইয়ে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৮৬ মিলিয়ন ডলার।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত