বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদের এসি ও আসবাবপত্র খুলে নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আশ্রাফুজ্জামান খোকনের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে থাকা এসি ও বেশ কিছু আসবাবপত্র সম্প্রতি সাবেক চেয়ারম্যান তার বাড়িতে সরিয়ে নিয়েছেন–এমন একটি পোস্ট ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এরপরই বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক চেয়ারম্যান আশ্রাফুজ্জামান খোকন মুঠোফোনে বলেন, 'আমি প্রায় সাড়ে চার বছর আগে করোনা ভ্যাকসিনের সুরক্ষার জন্য কিস্তিতে ২ টনের একটি এসি কিনেছিলাম। কিস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বর্তমান প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েই সেটি খুলে বাসায় এনেছি। তবে পরিষদের অন্য কোনো আসবাবপত্র আমি নিইনি।'
অবশ্য সরকারি দপ্তরের সম্পদ ব্যক্তিগতভাবে কিনে নিয়ে যাওয়ার এই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, ইউনিয়ন পরিষদের মালামাল ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্তের জন্য বর্তমান প্রশাসককে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদের এসি ও আসবাবপত্র খুলে নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আশ্রাফুজ্জামান খোকনের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে থাকা এসি ও বেশ কিছু আসবাবপত্র সম্প্রতি সাবেক চেয়ারম্যান তার বাড়িতে সরিয়ে নিয়েছেন–এমন একটি পোস্ট ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এরপরই বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক চেয়ারম্যান আশ্রাফুজ্জামান খোকন মুঠোফোনে বলেন, 'আমি প্রায় সাড়ে চার বছর আগে করোনা ভ্যাকসিনের সুরক্ষার জন্য কিস্তিতে ২ টনের একটি এসি কিনেছিলাম। কিস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বর্তমান প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েই সেটি খুলে বাসায় এনেছি। তবে পরিষদের অন্য কোনো আসবাবপত্র আমি নিইনি।'
অবশ্য সরকারি দপ্তরের সম্পদ ব্যক্তিগতভাবে কিনে নিয়ে যাওয়ার এই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, ইউনিয়ন পরিষদের মালামাল ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্তের জন্য বর্তমান প্রশাসককে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন