সংবাদ

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

আগামী প্রজন্মের জন্য একটি দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রেখে যেতে দেশবাসীকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।

সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা, বালু ও ধলেশ্বরী নদীর নাব্যতা বাড়ানো, বর্জ্য অপসারণ এবং রাজধানী সংলগ্ন খালগুলোর নাব্যতা নিশ্চিত করার বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের নেওয়া পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়ে বলেন, শুধু প্রকল্পের ওপর নির্ভর না করে প্রতিটি নাগরিককে ব্যক্তিগত জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, ‘নদী বাঁচলে দেশ বাঁচবে। আমাদের লক্ষ্য শুধু নিজেদের উন্নয়ন নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য দেশ নিশ্চিত করা। এ জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে কাজের সমন্বয় থাকা অত্যন্ত জরুরি।’

বৈঠকে ঢাকার চারপাশের বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন ও নদীর তীরে অবৈধ দখল উচ্ছেদের বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট এলাকার সিটি করপোরেশনগুলোর প্রশাসকদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পরবর্তী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

আগামী প্রজন্মের জন্য একটি দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রেখে যেতে দেশবাসীকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।

সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা, বালু ও ধলেশ্বরী নদীর নাব্যতা বাড়ানো, বর্জ্য অপসারণ এবং রাজধানী সংলগ্ন খালগুলোর নাব্যতা নিশ্চিত করার বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের নেওয়া পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়ে বলেন, শুধু প্রকল্পের ওপর নির্ভর না করে প্রতিটি নাগরিককে ব্যক্তিগত জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, ‘নদী বাঁচলে দেশ বাঁচবে। আমাদের লক্ষ্য শুধু নিজেদের উন্নয়ন নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য দেশ নিশ্চিত করা। এ জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে কাজের সমন্বয় থাকা অত্যন্ত জরুরি।’

বৈঠকে ঢাকার চারপাশের বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন ও নদীর তীরে অবৈধ দখল উচ্ছেদের বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট এলাকার সিটি করপোরেশনগুলোর প্রশাসকদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত