ফেনী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল জিসানের বিরুদ্ধে ১০২টি ভবনের নকশা অনুমোদন আটকে রেখে ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। তার অপসারণ এবং ভুক্তভোগীদের হয়রানি বন্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় ডিজাইন কনসালটেন্ট ফার্ম ও গৃহনির্মাণকারীরা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফেনী শহরের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফেনী ইঞ্জিনিয়ার পেশাজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন।
তার অভিযোগ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকা এবং ভবন নির্মাণ কমিটির অনুমোদন পাওয়ার পরও অতিরিক্ত টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে ১০২টি ভবনের নকশা আটকে রাখা হয়েছে। অনুমোদিত ফাইলেও নীতিবহির্ভূত আপত্তি তুলে সংশোধনের কথা বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত এক বছরে পাঁচবার পৌর প্রশাসক পরিবর্তনের কারণে এসব ফাইলের জটিলতা দীর্ঘায়িত হয়। পরে বর্তমান পৌর প্রশাসক দিদারুল আলম গত ৩১ আগস্ট ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে ১০২টি ফাইল অনুমোদনের উদ্যোগ নেন। তবে সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল জিসান ওই অনুমোদন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে আটটার দিকে মো. নাজমুল জিসানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে ফেনী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির উদ্দিন বলেন, সম্প্রতি নকশা অনুমোদন কমিটির সভায় কয়েক মাস ধরে আটকে থাকা ১০২টি ভবনের নকশা অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরপর কী হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফেনী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল জিসানের বিরুদ্ধে ১০২টি ভবনের নকশা অনুমোদন আটকে রেখে ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। তার অপসারণ এবং ভুক্তভোগীদের হয়রানি বন্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় ডিজাইন কনসালটেন্ট ফার্ম ও গৃহনির্মাণকারীরা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফেনী শহরের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফেনী ইঞ্জিনিয়ার পেশাজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন।
তার অভিযোগ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকা এবং ভবন নির্মাণ কমিটির অনুমোদন পাওয়ার পরও অতিরিক্ত টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে ১০২টি ভবনের নকশা আটকে রাখা হয়েছে। অনুমোদিত ফাইলেও নীতিবহির্ভূত আপত্তি তুলে সংশোধনের কথা বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত এক বছরে পাঁচবার পৌর প্রশাসক পরিবর্তনের কারণে এসব ফাইলের জটিলতা দীর্ঘায়িত হয়। পরে বর্তমান পৌর প্রশাসক দিদারুল আলম গত ৩১ আগস্ট ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে ১০২টি ফাইল অনুমোদনের উদ্যোগ নেন। তবে সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল জিসান ওই অনুমোদন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে আটটার দিকে মো. নাজমুল জিসানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে ফেনী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির উদ্দিন বলেন, সম্প্রতি নকশা অনুমোদন কমিটির সভায় কয়েক মাস ধরে আটকে থাকা ১০২টি ভবনের নকশা অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরপর কী হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।

আপনার মতামত লিখুন