আগামী ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজে সরকারিভাবে খরচ সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এই তথ্য জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, সরকারি হজ প্যাকেজ-১ এর খরচ ২০২৬ সালের তুলনায় ৭৫ হাজার ৩৩৪ টাকা কমিয়ে ২০২৭ সালে মোট ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, সাশ্রয়ী হিসেবে পরিচিত সরকারি হজ প্যাকেজ-২ এর খরচও কমানো হয়েছে। ২০২৬ সালের তুলনায় এই প্যাকেজের খরচ ৫৩ হাজার ২৩৩ টাকা কমিয়ে ২০২৭ সালে মোট ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
হজযাত্রীদের খরচ কমানোর বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলিষ্ঠ ও জনবান্ধব নেতৃত্বে আল্লাহর মেহমানদের সেবায় বাংলাদেশ সরকারের এই মানবিকতা, সততা, দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহির মহৎ ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর মেহমান হাজিদের সেবা করাই বর্তমান সরকারের একমাত্র ব্রত। অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব, বলিষ্ঠ দিকনির্দেশনা এবং নিবিড় মনিটরিংয়ের কারণেই ২০২৬ সালের হজ অত্যন্ত সফল, সুন্দর ও সাবলীলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় মন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৬ সালের সরকারি বিভিন্ন হজ প্যাকেজে যে পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ করা হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় স্বচ্ছতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে প্রতিটি প্যাকেজের ব্যয় কমানো সম্ভব হয়েছে এবং খাতভিত্তিক হিসাব শেষে উদ্বৃত্ত অর্থ ইতোমধ্যে ইএফটির মাধ্যমে সম্মানিত হাজিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি মাধ্যমে হজে যাওয়া মোট ৪ হাজার ৩৪১ জন সম্মানিত হাজি এই অব্যয়িত অর্থ ফেরত পেয়েছেন। মোট ফেরতযোগ্য অর্থের পরিমাণ ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার টাকা। কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি ইএফটির মাধ্যমে হাজিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের হজ প্যাকেজ-১, ২ ও ৩-এর আওতায় অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সরকারের গৃহীত উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে এই মহান সংসদকে অবহিত করতে চাই।
হজযাত্রীদের আর্থিক চাপ কমাতে বিমানভাড়া কমানোর বিশেষ উদ্যোগের কথা জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৬ সালের এই সফলতার ধারাবাহিকতায় আমরা ২০২৭ সালের হজের খরচ সাধারণ মানুষের জন্য আরও সাশ্রয়ী করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় ২০২৭ সালের হজের বিমানভাড়া ২০২৬ সালের তুলনায় ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমিয়ে মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই, ২০২৩ সালে বিমানভাড়া ছিল ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আগামী ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজে সরকারিভাবে খরচ সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এই তথ্য জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, সরকারি হজ প্যাকেজ-১ এর খরচ ২০২৬ সালের তুলনায় ৭৫ হাজার ৩৩৪ টাকা কমিয়ে ২০২৭ সালে মোট ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, সাশ্রয়ী হিসেবে পরিচিত সরকারি হজ প্যাকেজ-২ এর খরচও কমানো হয়েছে। ২০২৬ সালের তুলনায় এই প্যাকেজের খরচ ৫৩ হাজার ২৩৩ টাকা কমিয়ে ২০২৭ সালে মোট ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
হজযাত্রীদের খরচ কমানোর বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলিষ্ঠ ও জনবান্ধব নেতৃত্বে আল্লাহর মেহমানদের সেবায় বাংলাদেশ সরকারের এই মানবিকতা, সততা, দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহির মহৎ ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর মেহমান হাজিদের সেবা করাই বর্তমান সরকারের একমাত্র ব্রত। অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব, বলিষ্ঠ দিকনির্দেশনা এবং নিবিড় মনিটরিংয়ের কারণেই ২০২৬ সালের হজ অত্যন্ত সফল, সুন্দর ও সাবলীলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় মন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৬ সালের সরকারি বিভিন্ন হজ প্যাকেজে যে পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ করা হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় স্বচ্ছতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে প্রতিটি প্যাকেজের ব্যয় কমানো সম্ভব হয়েছে এবং খাতভিত্তিক হিসাব শেষে উদ্বৃত্ত অর্থ ইতোমধ্যে ইএফটির মাধ্যমে সম্মানিত হাজিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি মাধ্যমে হজে যাওয়া মোট ৪ হাজার ৩৪১ জন সম্মানিত হাজি এই অব্যয়িত অর্থ ফেরত পেয়েছেন। মোট ফেরতযোগ্য অর্থের পরিমাণ ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার টাকা। কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি ইএফটির মাধ্যমে হাজিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের হজ প্যাকেজ-১, ২ ও ৩-এর আওতায় অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সরকারের গৃহীত উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে এই মহান সংসদকে অবহিত করতে চাই।
হজযাত্রীদের আর্থিক চাপ কমাতে বিমানভাড়া কমানোর বিশেষ উদ্যোগের কথা জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৬ সালের এই সফলতার ধারাবাহিকতায় আমরা ২০২৭ সালের হজের খরচ সাধারণ মানুষের জন্য আরও সাশ্রয়ী করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় ২০২৭ সালের হজের বিমানভাড়া ২০২৬ সালের তুলনায় ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমিয়ে মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই, ২০২৩ সালে বিমানভাড়া ছিল ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা।

আপনার মতামত লিখুন