বগুড়ার শেরপুর-নন্দীগ্রাম আঞ্চলিক সড়কের সংস্কারকাজ ধীরগতিতে চলায় দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও ব্যবসায়ীরা। মাইকিং করে সড়ক বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর বৃষ্টিতে খোঁড়া সড়ক কাদাপানিতে একাকার হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
সসড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের আওতাধীন এই সড়কের দুবলাগাড়ি এলাকায় সংস্কারকাজ করছে ‘হাই-টেক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠান। অভিযোগ, কাজ ধীরগতির পাশাপাশি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে। সড়ক পুরোপুরি কাটা হলেও বিকল্প চলাচলের ব্যবস্থা নেই।
শেরপুর-নন্দীগ্রাম উপজেলার প্রধান এই যোগাযোগমাধ্যম দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন এবং অল্প সময়ে রাজশাহী-নাটোরে যাওয়া যায়। সড়কের দুই পাশে চাল ও পশুখাদ্যের প্রায় ৩৫টি কারখানা থেকে প্রতিদিন ৪০-৫০টি ট্রাক পণ্য সরবরাহ করে। সড়ক বন্ধ থাকায় ট্রাক চলাচল করতে না পারায় স্থবির হয়ে পড়েছে স্থানীয় ব্যবসা।
মিল ব্যবসায়ী বেলাল আহমেদ, সুলতান মাহমুদসহ কয়েকজন জানান, রাস্তা মাসের পর মাস খোঁড়া থাকায় ব্যবসা বন্ধের উপক্রম, প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে। চালক ও পথচারীরা বলছেন, গর্ত-কাদায় চলাচল বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে, প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। ভুক্তভোগীদের দাবি, পুরো রাস্তা বন্ধ না করে অন্তত একপাশ চালু রেখে কাজ করা উচিত ছিল। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সোহেল রানার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল বলেন, বৃষ্টির কারণে সাময়িক সমস্যা হচ্ছে, তবে রাস্তা এখনো বন্ধ করা হয়নি এবং দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বগুড়ার শেরপুর-নন্দীগ্রাম আঞ্চলিক সড়কের সংস্কারকাজ ধীরগতিতে চলায় দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও ব্যবসায়ীরা। মাইকিং করে সড়ক বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর বৃষ্টিতে খোঁড়া সড়ক কাদাপানিতে একাকার হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
সসড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের আওতাধীন এই সড়কের দুবলাগাড়ি এলাকায় সংস্কারকাজ করছে ‘হাই-টেক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠান। অভিযোগ, কাজ ধীরগতির পাশাপাশি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে। সড়ক পুরোপুরি কাটা হলেও বিকল্প চলাচলের ব্যবস্থা নেই।
শেরপুর-নন্দীগ্রাম উপজেলার প্রধান এই যোগাযোগমাধ্যম দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন এবং অল্প সময়ে রাজশাহী-নাটোরে যাওয়া যায়। সড়কের দুই পাশে চাল ও পশুখাদ্যের প্রায় ৩৫টি কারখানা থেকে প্রতিদিন ৪০-৫০টি ট্রাক পণ্য সরবরাহ করে। সড়ক বন্ধ থাকায় ট্রাক চলাচল করতে না পারায় স্থবির হয়ে পড়েছে স্থানীয় ব্যবসা।
মিল ব্যবসায়ী বেলাল আহমেদ, সুলতান মাহমুদসহ কয়েকজন জানান, রাস্তা মাসের পর মাস খোঁড়া থাকায় ব্যবসা বন্ধের উপক্রম, প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে। চালক ও পথচারীরা বলছেন, গর্ত-কাদায় চলাচল বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে, প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। ভুক্তভোগীদের দাবি, পুরো রাস্তা বন্ধ না করে অন্তত একপাশ চালু রেখে কাজ করা উচিত ছিল। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সোহেল রানার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল বলেন, বৃষ্টির কারণে সাময়িক সমস্যা হচ্ছে, তবে রাস্তা এখনো বন্ধ করা হয়নি এবং দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন