সংবাদ

ঢাকা শিশু হাসপাতালে দেওয়ার নির্দেশ আপিল বিভাগের

তথ্য গোপনে দুই দফায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩২ পিএম

তথ্য গোপনে দুই দফায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা

একই ইস্যুতে একাধিক রিট মামলা দায়ের তথ্য গোপনের মতো গুরুতর অনিয়মের দায়ে রিটকারী তার আইনজীবীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই অর্থ সরাসরি ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দিতে হবে।

আইনি প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে একই বিষয়ে বারবার রিট করার এই ঘটনায় রিটকারী মো. নুর আলম এবং তার আইনজীবী সুফিয়া আহমেদ উভয়েই শাস্তির মুখে পড়েছেন। তাদের প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা কস্ট বা জরিমানা পরিশোধ করতে হবে। আপিল বিভাগের এই কঠোর আদেশের ফলে আদালতের গোপনীয়তা রক্ষা এবং মামলার সঠিক তথ্য উপস্থাপনের বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, যাত্রাবাড়ীর ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে মিজানুর রহমান মুরাদকে নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে এনামুল হক নামের এক ব্যক্তি রিট দায়ের করলে ২০২২ সালে হাইকোর্ট বিভাগ মুরাদের নিয়োগ বাতিল ঘোষণা করেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে মুরাদ লিভ টু আপিল করেন। বুধবার আপিল বিভাগ শুনানি শেষে মুরাদের লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন এবং হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেন। এর ফলে মিজানুর রহমান মুরাদের নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে দাপ্তরিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।

শুনানি শেষে আইনজীবী অমিত দাশগুপ্ত সাংবাদিকদের পুরো বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হাইকোর্ট বিভাগে নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ-সংক্রান্ত একই ইস্যুতে একাধিক রিট মামলা দায়ের করা হয়েছিল অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আদালতের কাছে গোপন রাখা হয়েছিল। রিট আবেদনে প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত রিটকারী এবং সংশ্লিষ্ট আইনজীবীকে এই আর্থিক দণ্ড প্রদান করেন। আগামী এক মাসের মধ্যে এই অর্থ ঢাকা শিশু হাসপাতালে পরিশোধ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


তথ্য গোপনে দুই দফায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

একই ইস্যুতে একাধিক রিট মামলা দায়ের তথ্য গোপনের মতো গুরুতর অনিয়মের দায়ে রিটকারী তার আইনজীবীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই অর্থ সরাসরি ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দিতে হবে।

আইনি প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে একই বিষয়ে বারবার রিট করার এই ঘটনায় রিটকারী মো. নুর আলম এবং তার আইনজীবী সুফিয়া আহমেদ উভয়েই শাস্তির মুখে পড়েছেন। তাদের প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা কস্ট বা জরিমানা পরিশোধ করতে হবে। আপিল বিভাগের এই কঠোর আদেশের ফলে আদালতের গোপনীয়তা রক্ষা এবং মামলার সঠিক তথ্য উপস্থাপনের বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, যাত্রাবাড়ীর ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে মিজানুর রহমান মুরাদকে নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে এনামুল হক নামের এক ব্যক্তি রিট দায়ের করলে ২০২২ সালে হাইকোর্ট বিভাগ মুরাদের নিয়োগ বাতিল ঘোষণা করেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে মুরাদ লিভ টু আপিল করেন। বুধবার আপিল বিভাগ শুনানি শেষে মুরাদের লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন এবং হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেন। এর ফলে মিজানুর রহমান মুরাদের নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে দাপ্তরিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।

শুনানি শেষে আইনজীবী অমিত দাশগুপ্ত সাংবাদিকদের পুরো বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হাইকোর্ট বিভাগে নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ-সংক্রান্ত একই ইস্যুতে একাধিক রিট মামলা দায়ের করা হয়েছিল অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আদালতের কাছে গোপন রাখা হয়েছিল। রিট আবেদনে প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত রিটকারী এবং সংশ্লিষ্ট আইনজীবীকে এই আর্থিক দণ্ড প্রদান করেন। আগামী এক মাসের মধ্যে এই অর্থ ঢাকা শিশু হাসপাতালে পরিশোধ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত