কঠোর পরিশ্রম, একাগ্রতা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে যে ভাগ্যের চাকা বদলে ফেলা সম্ভব–তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রংপুর জেলার তারাগঞ্জের ছকিনা বেগম। একসময় তীব্র অনটন ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটলেও আজ কেবল নিজের সততা আর শ্রমের জোরে পরিবারে ফিরিয়ে এনেছেন আর্থিক সচ্ছলতা।
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়নের উত্তর লক্ষ্মীপুর গ্রামের লিটন মিয়ার স্ত্রী ছকিনা। একসময় সংসারের টানাটানিতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে জীবিকার খোঁজে ঘরের বাইরে পা রাখতে বাধ্য হন তিনি।
২০১৩ সালের ১৬ এপ্রিল ঢাকার ‘রিলায়েন্স ডেনিম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’-এ সুইং বিভাগের একজন সাধারণ পোশাকশ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন ছকিনা। শুরুতে অভিজ্ঞতা আর দক্ষতার ঘাটতি থাকলেও সততা ও একাগ্রতা দিয়ে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান শক্ত করেন। জীবনের নানা টানাপোড়েন সত্ত্বেও কখনো হাল ছাড়েননি।
দীর্ঘ সময় ধরে একই প্রতিষ্ঠানে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে ছকিনা আজ স্বাবলম্বী। নিজের অর্জিত আয়ে কেবল সংসারের নিত্যদিনের খরচই মেটাচ্ছেন না, বরং পরিবারের জন্য তৈরি করেছেন একটি টেকসই আর্থিক ভিত্তি। ছকিনা বেগমের এই আত্মত্যাগ আর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প প্রমাণ করে–প্রতিকূলতা যত বড়ই হোক, সৎ শ্রম ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে যে কোনো সংকট জয় করা সম্ভব।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কঠোর পরিশ্রম, একাগ্রতা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে যে ভাগ্যের চাকা বদলে ফেলা সম্ভব–তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রংপুর জেলার তারাগঞ্জের ছকিনা বেগম। একসময় তীব্র অনটন ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটলেও আজ কেবল নিজের সততা আর শ্রমের জোরে পরিবারে ফিরিয়ে এনেছেন আর্থিক সচ্ছলতা।
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়নের উত্তর লক্ষ্মীপুর গ্রামের লিটন মিয়ার স্ত্রী ছকিনা। একসময় সংসারের টানাটানিতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে জীবিকার খোঁজে ঘরের বাইরে পা রাখতে বাধ্য হন তিনি।
২০১৩ সালের ১৬ এপ্রিল ঢাকার ‘রিলায়েন্স ডেনিম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’-এ সুইং বিভাগের একজন সাধারণ পোশাকশ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন ছকিনা। শুরুতে অভিজ্ঞতা আর দক্ষতার ঘাটতি থাকলেও সততা ও একাগ্রতা দিয়ে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান শক্ত করেন। জীবনের নানা টানাপোড়েন সত্ত্বেও কখনো হাল ছাড়েননি।
দীর্ঘ সময় ধরে একই প্রতিষ্ঠানে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে ছকিনা আজ স্বাবলম্বী। নিজের অর্জিত আয়ে কেবল সংসারের নিত্যদিনের খরচই মেটাচ্ছেন না, বরং পরিবারের জন্য তৈরি করেছেন একটি টেকসই আর্থিক ভিত্তি। ছকিনা বেগমের এই আত্মত্যাগ আর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প প্রমাণ করে–প্রতিকূলতা যত বড়ই হোক, সৎ শ্রম ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে যে কোনো সংকট জয় করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন