২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রায় ঘোষণা করা হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায়ের এ দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলার বাকি ছয় আসামি হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। আসামিদের সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
এর আগে গত ১৭ আগস্ট আসামি ও প্রসিকিউশন পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছিলেন আদালত। শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির পাশাপাশি তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানানো হয়। মামলায় আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান।
প্রসিকিউশনের দেওয়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ প্রদান, উসকানি ও প্ররোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। এ ছাড়া আন্দোলনকারীদের দমনে একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনাসহ সশস্ত্র হামলা, কড়া দমন-পীড়ন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন তাঁরা। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে ব্যাপক হত্যা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের সামিল।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে তাঁদের বিচারকাজ শুরু হয়।
\

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রায় ঘোষণা করা হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায়ের এ দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলার বাকি ছয় আসামি হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। আসামিদের সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
এর আগে গত ১৭ আগস্ট আসামি ও প্রসিকিউশন পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছিলেন আদালত। শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির পাশাপাশি তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানানো হয়। মামলায় আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান।
প্রসিকিউশনের দেওয়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ প্রদান, উসকানি ও প্ররোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। এ ছাড়া আন্দোলনকারীদের দমনে একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনাসহ সশস্ত্র হামলা, কড়া দমন-পীড়ন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন তাঁরা। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে ব্যাপক হত্যা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের সামিল।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে তাঁদের বিচারকাজ শুরু হয়।
\

আপনার মতামত লিখুন