ফরিদপুরে পদ্মা নদীর তীর থেকে সিমেন্টের ব্লক ও ইট বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর (৩৫) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার ডিক্রীরচর ইউনিয়নের কবিরপুর এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ডিক্রীরচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্মা নদীর পাড়ে লাশটি ভাসতে দেখে সিঅ্যান্ডবি ঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে নৌ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহটি ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পুলিশ জানায়, নিহতের পরনে ম্যাক্সি ও ওড়না ছিল। তাকে হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ওড়নার সঙ্গে সিমেন্টের ভারী ব্লকের অংশ ও ইট বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সিঅ্যান্ডবি ঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) তপন কুমার সাহা জানান, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত সাত দিন আগে ওই নারীকে হত্যা করে লাশ নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। পানিতে লাশ পচে ফুলে উঠলে ইট-পাথরসহ সেটি তীরে ভেসে আসে।’
খবর পেয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর পৃথক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তবে মরদেহ অতিরিক্ত পচে যাওয়ার কারণে আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
এ বিষয়ে ফরিদপুর নৌ পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরিদপুরে পদ্মা নদীর তীর থেকে সিমেন্টের ব্লক ও ইট বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর (৩৫) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার ডিক্রীরচর ইউনিয়নের কবিরপুর এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ডিক্রীরচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্মা নদীর পাড়ে লাশটি ভাসতে দেখে সিঅ্যান্ডবি ঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে নৌ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহটি ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পুলিশ জানায়, নিহতের পরনে ম্যাক্সি ও ওড়না ছিল। তাকে হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ওড়নার সঙ্গে সিমেন্টের ভারী ব্লকের অংশ ও ইট বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সিঅ্যান্ডবি ঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) তপন কুমার সাহা জানান, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত সাত দিন আগে ওই নারীকে হত্যা করে লাশ নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। পানিতে লাশ পচে ফুলে উঠলে ইট-পাথরসহ সেটি তীরে ভেসে আসে।’
খবর পেয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর পৃথক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তবে মরদেহ অতিরিক্ত পচে যাওয়ার কারণে আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
এ বিষয়ে ফরিদপুর নৌ পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন