যশোরে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু পরিস্থিতি। জেলাজুড়ে প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৫ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৬ জনে। ইতিমধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে অভয়নগরে ৫ জন, বাঘারপাড়ায় ৩ জন, চৌগাছায় ৪ জন, কেশবপুরে ১ জন, ঝিকরগাছায় ১ জন, মণিরামপুরে ২ জন, শার্শায় ৪ জন এবং যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৫ জন ভর্তি হয়েছেন।
পরিসংখ্যান বলছে, জেলার অন্য উপজেলার চেয়ে অভয়নগরে ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে আশঙ্কাজনক। মোট ১ হাজার ২৬ জন আক্রান্তের মধ্যে এক অভয়নগরেই ৫০১ জন। এ ছাড়া বাঘারপাড়ায় ৬০, ঝিকরগাছায় ১৯, কেশবপুরে ১২২, মণিরামপুরে ৫২, শার্শায় ৬৭ এবং যশোর সদরে ১৬৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। প্রতিবছরের মতো এবারও অভয়নগর উপজেলায় রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
তথ্যমতে, ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯২৬ জন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৯৬ জন ডেঙ্গু রোগী।
চলতি মৌসুমে মারা যাওয়া দুজনের মধ্যে গত ৬ জুন মণিরামপুরের অপূর্ব (৪৫) নামের এক ব্যক্তি মারা যান, যা ছিল জেলায় ডেঙ্গুতে প্রথম মৃত্যু। পরে ১১ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরার কলারোয়ার রেখা রানী নামের এক নারী যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়েত জানান, হাসপাতালের ইনডোর ও আউটডোর–উভয় বিভাগেই ডেঙ্গু রোগীর চাপ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। প্রতিবেশী জেলাগুলো থেকেও প্রচুর রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, রোগীরা যাতে সুচিকিৎসা পান তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে, তবে সাধারণ মানুষ সচেতন না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোরে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু পরিস্থিতি। জেলাজুড়ে প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৫ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৬ জনে। ইতিমধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে অভয়নগরে ৫ জন, বাঘারপাড়ায় ৩ জন, চৌগাছায় ৪ জন, কেশবপুরে ১ জন, ঝিকরগাছায় ১ জন, মণিরামপুরে ২ জন, শার্শায় ৪ জন এবং যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৫ জন ভর্তি হয়েছেন।
পরিসংখ্যান বলছে, জেলার অন্য উপজেলার চেয়ে অভয়নগরে ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে আশঙ্কাজনক। মোট ১ হাজার ২৬ জন আক্রান্তের মধ্যে এক অভয়নগরেই ৫০১ জন। এ ছাড়া বাঘারপাড়ায় ৬০, ঝিকরগাছায় ১৯, কেশবপুরে ১২২, মণিরামপুরে ৫২, শার্শায় ৬৭ এবং যশোর সদরে ১৬৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। প্রতিবছরের মতো এবারও অভয়নগর উপজেলায় রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
তথ্যমতে, ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯২৬ জন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৯৬ জন ডেঙ্গু রোগী।
চলতি মৌসুমে মারা যাওয়া দুজনের মধ্যে গত ৬ জুন মণিরামপুরের অপূর্ব (৪৫) নামের এক ব্যক্তি মারা যান, যা ছিল জেলায় ডেঙ্গুতে প্রথম মৃত্যু। পরে ১১ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরার কলারোয়ার রেখা রানী নামের এক নারী যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়েত জানান, হাসপাতালের ইনডোর ও আউটডোর–উভয় বিভাগেই ডেঙ্গু রোগীর চাপ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। প্রতিবেশী জেলাগুলো থেকেও প্রচুর রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, রোগীরা যাতে সুচিকিৎসা পান তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে, তবে সাধারণ মানুষ সচেতন না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন