হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে দেনমোহরের পাওনা ২০ হাজার টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে ছোট বোন শাবানা বেগমকে (২৩) ছুরিকাঘাতে হত্যার মামলায় প্রধান আসামি বড় ভাই শাহীন মিয়াকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেনের দিকনির্দেশনায় পুলিশের একটি দল সিলেটে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে দেনমোহরের টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে শাবানা বেগমের সঙ্গে তার বড় ভাই শাহীন মিয়ার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে শাহীন ক্ষিপ্ত হয়ে ছোট বোনকে ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাবানার মৃত্যু হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর দেনমোহর বাবদ পাওয়া ৪০ হাজার টাকা বড় ভাই শাহীনের কাছে জমা রেখেছিলেন শাবানা। পরবর্তী সময়ে তিনি ২০ হাজার টাকা ফেরত নেন। তবে বাকি ২০ হাজার টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে দুই ভাই-বোনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকে ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করা শাহীন মিয়া আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে ধরতে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সিলেটে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে দেনমোহরের পাওনা ২০ হাজার টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে ছোট বোন শাবানা বেগমকে (২৩) ছুরিকাঘাতে হত্যার মামলায় প্রধান আসামি বড় ভাই শাহীন মিয়াকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেনের দিকনির্দেশনায় পুলিশের একটি দল সিলেটে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে দেনমোহরের টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে শাবানা বেগমের সঙ্গে তার বড় ভাই শাহীন মিয়ার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে শাহীন ক্ষিপ্ত হয়ে ছোট বোনকে ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাবানার মৃত্যু হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর দেনমোহর বাবদ পাওয়া ৪০ হাজার টাকা বড় ভাই শাহীনের কাছে জমা রেখেছিলেন শাবানা। পরবর্তী সময়ে তিনি ২০ হাজার টাকা ফেরত নেন। তবে বাকি ২০ হাজার টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে দুই ভাই-বোনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকে ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করা শাহীন মিয়া আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে ধরতে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সিলেটে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।

আপনার মতামত লিখুন