সংবাদ

১০০ কোটি ডলারে ইস্টার্ন রিফাইনারির নতুন যাত্রা


প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২১ পিএম

১০০ কোটি ডলারে ইস্টার্ন রিফাইনারির নতুন যাত্রা
ছবি : সংবাদ

চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট (ইআরএল-২) দ্রুত বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১০০ কোটি ৪০ লাখ ডলার ব্যায়ের এই প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য ৩ সেপ্টেম্বর ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইডিবি) সঙ্গে ১০০ কোটি ৪০ লাখ ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বর্তমানে ইস্টার্ন রিফাইনারির বার্ষিক তেল শোধনক্ষমতা ১৫ লাখ মেট্রিক টন। নির্মাণাধীন নতুন ইউনিটটি চালু হলে এর সক্ষমতা আরও ৩০ লাখ টন বাড়বে। অর্থাৎ প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে দেশের মোট তেল শোধনক্ষমতা দাঁড়িয়ে ৪৫ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ২০১০ সালে। পতেঙ্গায় ইস্টার্ন রিফাইনারির ২০০ একর জায়গার এক পাশে ৭০ একর জমিতে নতুন ইউনিট স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয় এবং প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৩ হাজার কোটি টাকা। ২০১৭ সালে ফ্রান্সের ‘টেকনিপ’ কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তি করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। তবে দীর্ঘদিন বৈদেশিক ঋণ না পাওয়ায় থমকে যায় কার্যক্রম। বারবার সংশোধনের পর প্রকল্প ব্যয় বেড়ে ৩৫ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকাই ঠেকলেও সম্প্রতি তা কমিয়ে প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আইডিবি অর্থায়ন নিশ্চিত করায় প্রকল্পে নতুন গতি এসেছে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রকল্পটির বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০৩০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত। তবে ২০২৯ সালের মধ্যেই নতুন ইউনিটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে বিপিসির চেয়ারম্যান ড. মো. রফিকুল ইসলাম জানান, প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে এবং ইতিমধ্যে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) চট্টগ্রামে কার্যালয় খুলে কার্যক্রম শুরু করেছেন। তিনি বলেন, 'বিদেশ থেকে পরিশোধিত তেল কেনা বিপিসির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে প্রণালী ও সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলেও নানা জটিলতা দেখা দিচ্ছে। এ অবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ইউনিটটি বড় ভূমিকা রাখবে।'

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


১০০ কোটি ডলারে ইস্টার্ন রিফাইনারির নতুন যাত্রা

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট (ইআরএল-২) দ্রুত বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১০০ কোটি ৪০ লাখ ডলার ব্যায়ের এই প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য ৩ সেপ্টেম্বর ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইডিবি) সঙ্গে ১০০ কোটি ৪০ লাখ ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বর্তমানে ইস্টার্ন রিফাইনারির বার্ষিক তেল শোধনক্ষমতা ১৫ লাখ মেট্রিক টন। নির্মাণাধীন নতুন ইউনিটটি চালু হলে এর সক্ষমতা আরও ৩০ লাখ টন বাড়বে। অর্থাৎ প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে দেশের মোট তেল শোধনক্ষমতা দাঁড়িয়ে ৪৫ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ২০১০ সালে। পতেঙ্গায় ইস্টার্ন রিফাইনারির ২০০ একর জায়গার এক পাশে ৭০ একর জমিতে নতুন ইউনিট স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয় এবং প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৩ হাজার কোটি টাকা। ২০১৭ সালে ফ্রান্সের ‘টেকনিপ’ কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তি করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। তবে দীর্ঘদিন বৈদেশিক ঋণ না পাওয়ায় থমকে যায় কার্যক্রম। বারবার সংশোধনের পর প্রকল্প ব্যয় বেড়ে ৩৫ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকাই ঠেকলেও সম্প্রতি তা কমিয়ে প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আইডিবি অর্থায়ন নিশ্চিত করায় প্রকল্পে নতুন গতি এসেছে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রকল্পটির বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০৩০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত। তবে ২০২৯ সালের মধ্যেই নতুন ইউনিটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে বিপিসির চেয়ারম্যান ড. মো. রফিকুল ইসলাম জানান, প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে এবং ইতিমধ্যে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) চট্টগ্রামে কার্যালয় খুলে কার্যক্রম শুরু করেছেন। তিনি বলেন, 'বিদেশ থেকে পরিশোধিত তেল কেনা বিপিসির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে প্রণালী ও সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলেও নানা জটিলতা দেখা দিচ্ছে। এ অবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ইউনিটটি বড় ভূমিকা রাখবে।'


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত