সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় হাওরের পথে বালুবাহী নৌকা নিয়ে যাওয়ার সময় বজ্রপাতে মো. শিপু মিয়া (৩৫) নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাতটার দিকে উপজেলার মাটিয়ান হাওরের মাঝামাঝি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিপু মিয়া উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের নয়াহাটি গ্রামের আতাবুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিপু মিয়া সারারাত বাড়িতেই ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরে বালুবাহী ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে টেকেরঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। পথে মাটিয়ান হাওরের মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান শিপু।
নিহতের চাচা এম জি সম্রাট আকুল কণ্ঠে বলেন, ‘মানুষটা ভোরেও সুস্থভাবে বাড়ি থেকে বের হলো। এভাবে হঠাৎ চলে যাওয়া মেনে নেওয়া সত্যিই কঠিন। পরিবারটিকে কীভাবে সান্ত্বনা দেব, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।’
বজ্রপাতে শিপু মিয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার উপপরিদর্শক (সেকেন্ড অফিসার) সাদেকুর রহমান।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় হাওরের পথে বালুবাহী নৌকা নিয়ে যাওয়ার সময় বজ্রপাতে মো. শিপু মিয়া (৩৫) নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাতটার দিকে উপজেলার মাটিয়ান হাওরের মাঝামাঝি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিপু মিয়া উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের নয়াহাটি গ্রামের আতাবুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিপু মিয়া সারারাত বাড়িতেই ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরে বালুবাহী ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে টেকেরঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। পথে মাটিয়ান হাওরের মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান শিপু।
নিহতের চাচা এম জি সম্রাট আকুল কণ্ঠে বলেন, ‘মানুষটা ভোরেও সুস্থভাবে বাড়ি থেকে বের হলো। এভাবে হঠাৎ চলে যাওয়া মেনে নেওয়া সত্যিই কঠিন। পরিবারটিকে কীভাবে সান্ত্বনা দেব, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।’
বজ্রপাতে শিপু মিয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার উপপরিদর্শক (সেকেন্ড অফিসার) সাদেকুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন