সংবাদ

পাংশার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি চালু করা এখন সময়ের দাবি


প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৪ পিএম

পাংশার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি চালু করা এখন সময়ের দাবি
ছবি: সংবাদ

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নে মা ও শিশুদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে তৈরি হওয়া ১০ শয্যার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ৯ বছরেও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি। ২০১৭ সালে নির্মিত এ কেন্দ্রে তিনতলা ভবন, অপারেশন থিয়েটার, আলট্রাসনোগ্রাম কক্ষ ও আবাসিক কোয়ার্টার থাকলেও শুধু জনবলের অভাবে সেবা পাচ্ছে না স্থানীয় বাসিন্দারা।

২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর তৎকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন। এখানে স্বাভাবিক ও জটিল প্রসব, সিজারিয়ান অপারেশন ও নবজাতকের চিকিৎসাসহ পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার কথা ছিল। তবে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যকর্মী না থাকায় বর্তমানে সপ্তাহে মাত্র একদিন একজন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ও একজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা খণ্ডকালীন দায়িত্ব হিসেবে চিকিৎসাসেবা দেন।

দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় হাসপাতালের অবকাঠামো ও মূল্যবান চিকিৎসা যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিকটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় জরুরি মুহূর্তে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা জাকিয়া সুলতানা জানান, জনবল নিয়োগ হলে এখানে ২৪ ঘণ্টা সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পাংশার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি চালু করা এখন সময়ের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নে মা ও শিশুদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে তৈরি হওয়া ১০ শয্যার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ৯ বছরেও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি। ২০১৭ সালে নির্মিত এ কেন্দ্রে তিনতলা ভবন, অপারেশন থিয়েটার, আলট্রাসনোগ্রাম কক্ষ ও আবাসিক কোয়ার্টার থাকলেও শুধু জনবলের অভাবে সেবা পাচ্ছে না স্থানীয় বাসিন্দারা।

২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর তৎকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন। এখানে স্বাভাবিক ও জটিল প্রসব, সিজারিয়ান অপারেশন ও নবজাতকের চিকিৎসাসহ পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার কথা ছিল। তবে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যকর্মী না থাকায় বর্তমানে সপ্তাহে মাত্র একদিন একজন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ও একজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা খণ্ডকালীন দায়িত্ব হিসেবে চিকিৎসাসেবা দেন।

দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় হাসপাতালের অবকাঠামো ও মূল্যবান চিকিৎসা যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিকটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় জরুরি মুহূর্তে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা জাকিয়া সুলতানা জানান, জনবল নিয়োগ হলে এখানে ২৪ ঘণ্টা সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত