সংবাদ

ব্রিকস সম্মেলন শেষে বিশ্বনেতারা অসুস্থ!


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম

ব্রিকস সম্মেলন শেষে বিশ্বনেতারা অসুস্থ!

নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে সমাপ্ত ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় হঠাৎ করেই একটি মারাত্মক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই বিশ্বমঞ্চে অংশ নেওয়ার পর বিভিন্ন দেশের একাধিক রাষ্ট্রপ্রধান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করা হয়।

তবে এই ধরনের ক্ষতিকর ও ভিত্তিহীন দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের ফ্যাক্ট-চেকিং ইউনিট থেকে একটি কঠোর সতর্কবার্তা জারি করে জানানো হয়েছে যে, বিশ্বনেতাদের অসুস্থতা নিয়ে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া প্রতিটি তথ্যই পুরোপুরি বানোয়াট এবং এর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নেই।

মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার একটি বাস্তব ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই গুজবের ডালপালা ছড়াতে শুরু করে। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্সি দপ্তর থেকে জানানো হয়েছিল যে, ব্রিকস সম্মেলন শেষ করে নিজ দেশে ফেরার পর প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা চিকিৎসকদের পরামর্শে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন এবং চিকিৎসাধীন আছেন।

তিনি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তার সরকারি কাজগুলো মন্ত্রীরা পরিচালনা করবেন। তার কার্যালয় থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো রোগের কথা প্রকাশ না করা হলেও, এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে অনলাইন ট্রল ও কুচক্রী মহল অন্যান্য বিশ্বনেতাদের স্বাস্থ্য নিয়ে নানা রকম জল্পনা-কল্পনা শুরু করে দেয়। এর বাইরেও, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ব্রিকস সম্মেলনের একটি নির্দিষ্ট ডিনারে অনুপস্থিত থাকাকে কেন্দ্র করে অনলাইনে নানা বিভ্রান্তিকর দাবি প্রচার করা হয়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, একজন নেতার কোনো নির্দিষ্ট নৈশভোজে অনুপস্থিত থাকা কিংবা কোনো এক রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যগত বিষয়ের সঙ্গে ব্রিকস সম্মেলনের কোনো ধরনের যোগসূত্র নেই। সফলভাবে আয়োজিত এই ঐতিহাসিক সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছিলেন এবং অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সর্বসম্মতিক্রমে ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা ২০২৬’ প্রকাশিত হয়েছিল।

অথচ বিশ্বনেতারা নিজ নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরপরই একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এই ধরনের ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছে। তাই দেশের সাধারণ মানুষ ও আন্তর্জাতিক মহলে বিভ্রান্তি এড়াতে এই ধরনের ক্ষতিকর ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ব্রিকস সম্মেলন শেষে বিশ্বনেতারা অসুস্থ!

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে সমাপ্ত ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় হঠাৎ করেই একটি মারাত্মক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই বিশ্বমঞ্চে অংশ নেওয়ার পর বিভিন্ন দেশের একাধিক রাষ্ট্রপ্রধান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করা হয়।

তবে এই ধরনের ক্ষতিকর ও ভিত্তিহীন দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের ফ্যাক্ট-চেকিং ইউনিট থেকে একটি কঠোর সতর্কবার্তা জারি করে জানানো হয়েছে যে, বিশ্বনেতাদের অসুস্থতা নিয়ে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া প্রতিটি তথ্যই পুরোপুরি বানোয়াট এবং এর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নেই।

মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার একটি বাস্তব ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই গুজবের ডালপালা ছড়াতে শুরু করে। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্সি দপ্তর থেকে জানানো হয়েছিল যে, ব্রিকস সম্মেলন শেষ করে নিজ দেশে ফেরার পর প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা চিকিৎসকদের পরামর্শে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন এবং চিকিৎসাধীন আছেন।

তিনি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তার সরকারি কাজগুলো মন্ত্রীরা পরিচালনা করবেন। তার কার্যালয় থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো রোগের কথা প্রকাশ না করা হলেও, এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে অনলাইন ট্রল ও কুচক্রী মহল অন্যান্য বিশ্বনেতাদের স্বাস্থ্য নিয়ে নানা রকম জল্পনা-কল্পনা শুরু করে দেয়। এর বাইরেও, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ব্রিকস সম্মেলনের একটি নির্দিষ্ট ডিনারে অনুপস্থিত থাকাকে কেন্দ্র করে অনলাইনে নানা বিভ্রান্তিকর দাবি প্রচার করা হয়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, একজন নেতার কোনো নির্দিষ্ট নৈশভোজে অনুপস্থিত থাকা কিংবা কোনো এক রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যগত বিষয়ের সঙ্গে ব্রিকস সম্মেলনের কোনো ধরনের যোগসূত্র নেই। সফলভাবে আয়োজিত এই ঐতিহাসিক সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছিলেন এবং অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সর্বসম্মতিক্রমে ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা ২০২৬’ প্রকাশিত হয়েছিল।

অথচ বিশ্বনেতারা নিজ নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরপরই একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এই ধরনের ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছে। তাই দেশের সাধারণ মানুষ ও আন্তর্জাতিক মহলে বিভ্রান্তি এড়াতে এই ধরনের ক্ষতিকর ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত