ইন্দোরে শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, রাহুল গান্ধীর ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। কংগ্রেসের দাবি, বিপুল সংখ্যক ছাত্র-যুবক কিউআর কোডের মাধ্যমে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছেন। কিন্তু আসল প্রশ্ন শুধু কত নাম নথিভুক্ত হয়েছে তা নয়—শনিবার মাঠে কতজন আসবেন, তাদের কতজন সক্রিয়ভাবে নিজেদের প্রশ্ন তুলে ধরবেন এবং সেই আওয়াজ কতটা দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হবে, সেটিই এখন দেখার।
কারণ ইন্দোর কোনও বিচ্ছিন্ন কর্মসূচি নয়। ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ ইতিমধ্যেই দেশের একাধিক শহর ঘুরে এসেছে। কংগ্রেসের ঘোষিত ৪০ দিনের ছাত্র-যুব প্রচারের প্রথম পর্যায়ে ২৮টি শহরে কর্মসূচি ও প্রচার চালানোর কথা বলা হয়েছিল।
এরপর রাহুল গান্ধীর সরাসরি ছাত্র-সংলাপের ধারায় প্রথমে কোটা, তারপর দেরাদুন, প্রয়াগরাজ এবং পুনে—চারটি পর্ব হয়েছে। ইন্দোর সেই ধারাবাহিকতার পঞ্চম পর্ব।
কোটা থেকে শুরু হওয়া এই প্রচারের কেন্দ্রে ছিল পরীক্ষা, প্রশ্নফাঁস, নিয়োগের অনিয়ম, শিক্ষা ব্যবস্থার সমস্যা এবং চাকরির সুযোগের মতো বিষয়। প্রয়াগরাজে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে থাকা ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ আরও স্পষ্ট হয়। সেখানে ছাত্র ও চাকরিপ্রার্থীদের বড় জমায়েত হয়েছিল।
আর পুনের পর্বটি ছিল আরও আলাদা। সেখানে মূলত ছাত্রীদের নিয়ে ‘পিঞ্জরা তোড়’ ভাবনায় কর্মসূচি করা হয়। অর্থাৎ একই ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ নামের মধ্যে কংগ্রেস বিভিন্ন শহরে ছাত্রসমাজের আলাদা আলাদা অভিজ্ঞতা ও প্রশ্নকে রাজনৈতিক আলোচনায় আনার চেষ্টা করেছে।
এই ধারাবাহিকতার পর ইন্দোরে এসে প্রশ্নটি আরও বড়। শিক্ষা শেষ করার পর চাকরি—এই দীর্ঘ পথের অনিশ্চয়তা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার চাপ, প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষা পরিচালনা নিয়ে অভিযোগ, উচ্চশিক্ষার ব্যয় এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ—সব মিলিয়ে ছাত্র-যুবদের উদ্বেগকে একটি বৃহত্তর জাতীয় রাজনৈতিক প্রশ্নে পরিণত করার চেষ্টা হচ্ছে।
রাহুল গান্ধীর সাম্প্রতিক বক্তব্যেও সেই দিকটি স্পষ্ট। ইন্দোরের কর্মসূচির আগে তিনি ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, সমস্যা এবং মতামত জানাতে আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে এখানেই ইন্দোরের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। কিউআর কোডে নিবন্ধনের সংখ্যা রাজনৈতিক বার্তা তৈরির একটি সূচক হতে পারে, কিন্তু সেটি সরাসরি মাঠের উপস্থিতি বা ছাত্রসমাজের সামগ্রিক মতামতের পরিমাপ নয়। কংগ্রেস প্রায় ১.২০ লক্ষ নিবন্ধনের দাবি করেছে; একই সঙ্গে সংগঠকেরা ইন্দোর ও আশপাশের কোচিং সেন্টার থেকে কয়েক দশ হাজার ছাত্রকে আনার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন।
অর্থাৎ শনিবারের আসল পরীক্ষা হবে তিন স্তরে—ভিড়, অংশগ্রহণ এবং বার্তার স্থায়িত্ব।
ইন্দোরের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও ঘটনাটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করেছে। প্রথমে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে কর্মসূচি করার পরিকল্পনা থাকলেও অনুমতি না পাওয়ায় অনুষ্ঠান পিছিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর করা হয়। পরে রিজিওনাল পার্কের সামনে অন্য একটি সরকারি জমি নেওয়া হয়। জমির ব্যবহার নিয়ে কংগ্রেস ও প্রশাসনের মধ্যে নতুন করে বিতর্কও তৈরি হয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের আগে জমির একটি অংশ ব্যবহারের জন্য ইন্দোর ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অতিরিক্ত ৪.০৩ লক্ষ টাকা দাবি করেছিল; কংগ্রেস পরে সেই অর্থ জমা দিয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য ছিল জমি ব্যবহারের নির্ধারিত নিয়মের সঙ্গে বিষয়টি যুক্ত, আর কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক চাপের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দুই পক্ষের বক্তব্যের এই পার্থক্যও কর্মসূচির রাজনৈতিক আবহকে আরও উত্তপ্ত করেছে।
কিন্তু ইন্দোরের আসল গুরুত্ব শুধু কংগ্রেস বনাম বিজেপির সংঘাতের মধ্যে নয়। ভারতের ছাত্র-যুব সমাজ নিজেই কোনও একক রাজনৈতিক গোষ্ঠী নয়। শহরভেদে সমস্যা আলাদা, শিক্ষাগত ও সামাজিক পটভূমি আলাদা, রাজনৈতিক পছন্দও আলাদা। ফলে একটি বড় জমায়েতকে গোটা দেশের জেনজি-এর রাজনৈতিক মনোভাবের সরাসরি প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।
তবু চারটি শহরের পর ইন্দোরে এসে ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছে। কোটা দিয়েছে পরীক্ষাকেন্দ্রিক উদ্বেগের ছবি, দেরাদুন ও প্রয়াগরাজ সামনে এনেছে ছাত্র ও চাকরিপ্রার্থীদের প্রশ্ন, পুনে দেখিয়েছে ছাত্রীদের আলাদা অভিজ্ঞতা ও আকাঙ্ক্ষার জায়গা। এবার ইন্দোরে সেই বিচ্ছিন্ন প্রশ্নগুলিকে বৃহত্তর ছাত্র-যুব রাজনৈতিক আলোচনায় কতটা একত্র করা যায়, সেটিই হবে মূল পরীক্ষা।
রাহুল গান্ধীর জন্য তাই শনিবারের মঞ্চ শুধু একটি জনসভা নয়। এটি ছাত্রদের সঙ্গে সরাসরি রাজনৈতিক যোগাযোগের একটি মডেল কতটা কার্যকর হতে পারে, তারও পরীক্ষা। আর কংগ্রেসের জন্য আরও কঠিন প্রশ্ন হল—ইন্দোরের পর এই যোগাযোগ কি সংগঠিত ও ধারাবাহিক কর্মসূচিতে রূপ নেবে, নাকি বড় জমায়েতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
শেষ পর্যন্ত ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’-এর সাফল্য শুধু মাথার সংখ্যা দিয়ে মাপা যাবে না। মাপতে হবে, ছাত্রদের শিক্ষা, পরীক্ষা, চাকরি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন কতটা রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে আসে; সেই প্রশ্নের ভিত্তিতে কী ধরনের নীতি ও কর্মসূচির আলোচনা তৈরি হয়; এবং ইন্দোরের পর সেই সংযোগ কতটা টিকে থাকে।
শনিবার তাই ইন্দোরে শুধু একটি সভা হবে না—সেখানে পরীক্ষা হবে, ছাত্রদের আওয়াজকে রাজনৈতিক প্রচারের শব্দ থেকে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় আলোচনার ইস্যুতে পরিণত করা যায় কি না।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইন্দোরে শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, রাহুল গান্ধীর ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। কংগ্রেসের দাবি, বিপুল সংখ্যক ছাত্র-যুবক কিউআর কোডের মাধ্যমে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছেন। কিন্তু আসল প্রশ্ন শুধু কত নাম নথিভুক্ত হয়েছে তা নয়—শনিবার মাঠে কতজন আসবেন, তাদের কতজন সক্রিয়ভাবে নিজেদের প্রশ্ন তুলে ধরবেন এবং সেই আওয়াজ কতটা দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হবে, সেটিই এখন দেখার।
কারণ ইন্দোর কোনও বিচ্ছিন্ন কর্মসূচি নয়। ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ ইতিমধ্যেই দেশের একাধিক শহর ঘুরে এসেছে। কংগ্রেসের ঘোষিত ৪০ দিনের ছাত্র-যুব প্রচারের প্রথম পর্যায়ে ২৮টি শহরে কর্মসূচি ও প্রচার চালানোর কথা বলা হয়েছিল।
এরপর রাহুল গান্ধীর সরাসরি ছাত্র-সংলাপের ধারায় প্রথমে কোটা, তারপর দেরাদুন, প্রয়াগরাজ এবং পুনে—চারটি পর্ব হয়েছে। ইন্দোর সেই ধারাবাহিকতার পঞ্চম পর্ব।
কোটা থেকে শুরু হওয়া এই প্রচারের কেন্দ্রে ছিল পরীক্ষা, প্রশ্নফাঁস, নিয়োগের অনিয়ম, শিক্ষা ব্যবস্থার সমস্যা এবং চাকরির সুযোগের মতো বিষয়। প্রয়াগরাজে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে থাকা ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ আরও স্পষ্ট হয়। সেখানে ছাত্র ও চাকরিপ্রার্থীদের বড় জমায়েত হয়েছিল।
আর পুনের পর্বটি ছিল আরও আলাদা। সেখানে মূলত ছাত্রীদের নিয়ে ‘পিঞ্জরা তোড়’ ভাবনায় কর্মসূচি করা হয়। অর্থাৎ একই ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ নামের মধ্যে কংগ্রেস বিভিন্ন শহরে ছাত্রসমাজের আলাদা আলাদা অভিজ্ঞতা ও প্রশ্নকে রাজনৈতিক আলোচনায় আনার চেষ্টা করেছে।
এই ধারাবাহিকতার পর ইন্দোরে এসে প্রশ্নটি আরও বড়। শিক্ষা শেষ করার পর চাকরি—এই দীর্ঘ পথের অনিশ্চয়তা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার চাপ, প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষা পরিচালনা নিয়ে অভিযোগ, উচ্চশিক্ষার ব্যয় এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ—সব মিলিয়ে ছাত্র-যুবদের উদ্বেগকে একটি বৃহত্তর জাতীয় রাজনৈতিক প্রশ্নে পরিণত করার চেষ্টা হচ্ছে।
রাহুল গান্ধীর সাম্প্রতিক বক্তব্যেও সেই দিকটি স্পষ্ট। ইন্দোরের কর্মসূচির আগে তিনি ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, সমস্যা এবং মতামত জানাতে আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে এখানেই ইন্দোরের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। কিউআর কোডে নিবন্ধনের সংখ্যা রাজনৈতিক বার্তা তৈরির একটি সূচক হতে পারে, কিন্তু সেটি সরাসরি মাঠের উপস্থিতি বা ছাত্রসমাজের সামগ্রিক মতামতের পরিমাপ নয়। কংগ্রেস প্রায় ১.২০ লক্ষ নিবন্ধনের দাবি করেছে; একই সঙ্গে সংগঠকেরা ইন্দোর ও আশপাশের কোচিং সেন্টার থেকে কয়েক দশ হাজার ছাত্রকে আনার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন।
অর্থাৎ শনিবারের আসল পরীক্ষা হবে তিন স্তরে—ভিড়, অংশগ্রহণ এবং বার্তার স্থায়িত্ব।
ইন্দোরের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও ঘটনাটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করেছে। প্রথমে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে কর্মসূচি করার পরিকল্পনা থাকলেও অনুমতি না পাওয়ায় অনুষ্ঠান পিছিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর করা হয়। পরে রিজিওনাল পার্কের সামনে অন্য একটি সরকারি জমি নেওয়া হয়। জমির ব্যবহার নিয়ে কংগ্রেস ও প্রশাসনের মধ্যে নতুন করে বিতর্কও তৈরি হয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের আগে জমির একটি অংশ ব্যবহারের জন্য ইন্দোর ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অতিরিক্ত ৪.০৩ লক্ষ টাকা দাবি করেছিল; কংগ্রেস পরে সেই অর্থ জমা দিয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য ছিল জমি ব্যবহারের নির্ধারিত নিয়মের সঙ্গে বিষয়টি যুক্ত, আর কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক চাপের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দুই পক্ষের বক্তব্যের এই পার্থক্যও কর্মসূচির রাজনৈতিক আবহকে আরও উত্তপ্ত করেছে।
কিন্তু ইন্দোরের আসল গুরুত্ব শুধু কংগ্রেস বনাম বিজেপির সংঘাতের মধ্যে নয়। ভারতের ছাত্র-যুব সমাজ নিজেই কোনও একক রাজনৈতিক গোষ্ঠী নয়। শহরভেদে সমস্যা আলাদা, শিক্ষাগত ও সামাজিক পটভূমি আলাদা, রাজনৈতিক পছন্দও আলাদা। ফলে একটি বড় জমায়েতকে গোটা দেশের জেনজি-এর রাজনৈতিক মনোভাবের সরাসরি প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।
তবু চারটি শহরের পর ইন্দোরে এসে ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছে। কোটা দিয়েছে পরীক্ষাকেন্দ্রিক উদ্বেগের ছবি, দেরাদুন ও প্রয়াগরাজ সামনে এনেছে ছাত্র ও চাকরিপ্রার্থীদের প্রশ্ন, পুনে দেখিয়েছে ছাত্রীদের আলাদা অভিজ্ঞতা ও আকাঙ্ক্ষার জায়গা। এবার ইন্দোরে সেই বিচ্ছিন্ন প্রশ্নগুলিকে বৃহত্তর ছাত্র-যুব রাজনৈতিক আলোচনায় কতটা একত্র করা যায়, সেটিই হবে মূল পরীক্ষা।
রাহুল গান্ধীর জন্য তাই শনিবারের মঞ্চ শুধু একটি জনসভা নয়। এটি ছাত্রদের সঙ্গে সরাসরি রাজনৈতিক যোগাযোগের একটি মডেল কতটা কার্যকর হতে পারে, তারও পরীক্ষা। আর কংগ্রেসের জন্য আরও কঠিন প্রশ্ন হল—ইন্দোরের পর এই যোগাযোগ কি সংগঠিত ও ধারাবাহিক কর্মসূচিতে রূপ নেবে, নাকি বড় জমায়েতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
শেষ পর্যন্ত ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’-এর সাফল্য শুধু মাথার সংখ্যা দিয়ে মাপা যাবে না। মাপতে হবে, ছাত্রদের শিক্ষা, পরীক্ষা, চাকরি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন কতটা রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে আসে; সেই প্রশ্নের ভিত্তিতে কী ধরনের নীতি ও কর্মসূচির আলোচনা তৈরি হয়; এবং ইন্দোরের পর সেই সংযোগ কতটা টিকে থাকে।
শনিবার তাই ইন্দোরে শুধু একটি সভা হবে না—সেখানে পরীক্ষা হবে, ছাত্রদের আওয়াজকে রাজনৈতিক প্রচারের শব্দ থেকে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় আলোচনার ইস্যুতে পরিণত করা যায় কি না।

আপনার মতামত লিখুন