যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়ার’ চরম হুমকির মুখে তীব্র প্রতিবাদ ও কড়া হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপ, নিষেধাজ্ঞা ও ‘গুণ্ডামির’ মুখে ইরানি জনগণের প্রতিরোধ কেবল জোরদারই হবে; ইরান কখনো মাথা নত করবে না।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের কড়া জবাব দেন মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে সংঘাতে অনড় থাকার পাশাপাশি কূটনীতি ও আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনে তেহরানের ইতিবাচক অবস্থানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
ভাষণে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘সবাই হরমুজ প্রণালি থেকে সুবিধা ভোগ করবে, অথচ আমাদেরই সেখানে প্রবেশাধিকার থাকবে না–এমন বৈষম্য হতে পারে না।’ ইরানি প্রেসিডেন্ট যখন বক্তব্য দিতে মঞ্চে ওঠেন, ঠিক তখনই অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন মার্কিন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট আমাদের অন্যায়ভাবে সন্ত্রাসী বানানোর চেষ্টা করছেন, অথচ আমরা নিজেরাই দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী হামলার শিকার।’ এরপর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জোড়া হামলায় নিহত ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির একটি ছবি তুলে ধরেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে খামেনির বাসভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এছাড়া মিনাব ও লামার্দে বেসামরিক হামলায় নিহত ১৭৫ জনের বেশি নাগরিক ও শিশুর ছবি তুলে ধরে পেজেশকিয়ান অভিযোগ করেন, কাপুরুষোচিত হামলার বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করতে ইরান সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করছে।
প্রতিউত্তরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি হুমকি দিয়েছিলেন যে, তিনি ইরান পুনর্গঠনের কোনো সমঝোতায় যাবেন, না হয় দ্রুত সময়ের মধ্যে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে ধূলিসাৎ ও ধ্বংস করে দেবেন। পেজেশকিয়ান ট্রাম্পের এই হুমকিকে ‘উগ্র মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সংলাপে বসার পূর্বশর্ত হিসেবে মার্কিন নৌ-অবরোধ সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো চেষ্টা করবে না, তবে নিজেদের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারের অধিকার থেকেও পিছিয়ে আসবে না।
/

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়ার’ চরম হুমকির মুখে তীব্র প্রতিবাদ ও কড়া হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপ, নিষেধাজ্ঞা ও ‘গুণ্ডামির’ মুখে ইরানি জনগণের প্রতিরোধ কেবল জোরদারই হবে; ইরান কখনো মাথা নত করবে না।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের কড়া জবাব দেন মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে সংঘাতে অনড় থাকার পাশাপাশি কূটনীতি ও আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনে তেহরানের ইতিবাচক অবস্থানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
ভাষণে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘সবাই হরমুজ প্রণালি থেকে সুবিধা ভোগ করবে, অথচ আমাদেরই সেখানে প্রবেশাধিকার থাকবে না–এমন বৈষম্য হতে পারে না।’ ইরানি প্রেসিডেন্ট যখন বক্তব্য দিতে মঞ্চে ওঠেন, ঠিক তখনই অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন মার্কিন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট আমাদের অন্যায়ভাবে সন্ত্রাসী বানানোর চেষ্টা করছেন, অথচ আমরা নিজেরাই দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী হামলার শিকার।’ এরপর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জোড়া হামলায় নিহত ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির একটি ছবি তুলে ধরেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে খামেনির বাসভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এছাড়া মিনাব ও লামার্দে বেসামরিক হামলায় নিহত ১৭৫ জনের বেশি নাগরিক ও শিশুর ছবি তুলে ধরে পেজেশকিয়ান অভিযোগ করেন, কাপুরুষোচিত হামলার বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করতে ইরান সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করছে।
প্রতিউত্তরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি হুমকি দিয়েছিলেন যে, তিনি ইরান পুনর্গঠনের কোনো সমঝোতায় যাবেন, না হয় দ্রুত সময়ের মধ্যে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে ধূলিসাৎ ও ধ্বংস করে দেবেন। পেজেশকিয়ান ট্রাম্পের এই হুমকিকে ‘উগ্র মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সংলাপে বসার পূর্বশর্ত হিসেবে মার্কিন নৌ-অবরোধ সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো চেষ্টা করবে না, তবে নিজেদের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারের অধিকার থেকেও পিছিয়ে আসবে না।
/

আপনার মতামত লিখুন