বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে স্টারলিংকের ডিরেক্ট-টু-সেল (ডিটুসি) সেবা চালুর অনুমোদন পেয়েছে মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) অনুমোদনের ফলে প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা এলাকাতেও বাংলালিংকের গ্রাহকরা মোবাইল সংযোগ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। বাংলালিংকের দাবি, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশেই প্রথম এ ধরনের ডিরেক্ট-টু-সেল সেবা চালু হচ্ছে।
সেবাটি ব্যবহারের জন্য বিশেষ কোনো মোবাইল ফোন, স্যাটেলাইট ডিশ বা অতিরিক্ত যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হবে না। বাংলালিংকের সংযোগ ও ফোর-জি সুবিধাসম্পন্ন সাধারণ স্মার্টফোন থাকলেই ডিটুসি কভারেজের আওতায় সেবা ব্যবহার করা যাবে। প্রাথমিকভাবে এসএমএস, ডেটা মেসেজিং ও হোয়াটসঅ্যাপ কলের সুবিধা দেওয়া হবে।
বাংলালিংকের মোবাইল নেটওয়ার্কের সঙ্গে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট প্রযুক্তি যুক্ত করে এ সেবা দেওয়া হবে। ফলে সাগর, দুর্গম দ্বীপ, উপকূল ও পাহাড়ি এলাকার মতো মোবাইল নেটওয়ার্কের সীমার বাইরে থাকা স্থানেও যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে।
বিশেষ করে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে, দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী মানুষ ও পর্যটকরা এ সেবার সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছে বাংলালিংক। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মোবাইল টাওয়ার বা অন্যান্য নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বিকল্প যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবেও ডিটুসি কাজে লাগতে পারে।
বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়োহান বুসে বলেন, সাগরে থাকা জেলে, দুর্গম এলাকার পরিবার কিংবা দুর্যোগে আটকে পড়া মানুষের যেন যোগাযোগ নিয়ে চিন্তা করতে না হয়, সেজন্য স্টারলিংকের মাধ্যমে আমরা প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের সীমার বাইরে সংযোগ পৌঁছে দিচ্ছি।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে স্টারলিংকের ডিরেক্ট-টু-সেল (ডিটুসি) সেবা চালুর অনুমোদন পেয়েছে মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) অনুমোদনের ফলে প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা এলাকাতেও বাংলালিংকের গ্রাহকরা মোবাইল সংযোগ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। বাংলালিংকের দাবি, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশেই প্রথম এ ধরনের ডিরেক্ট-টু-সেল সেবা চালু হচ্ছে।
সেবাটি ব্যবহারের জন্য বিশেষ কোনো মোবাইল ফোন, স্যাটেলাইট ডিশ বা অতিরিক্ত যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হবে না। বাংলালিংকের সংযোগ ও ফোর-জি সুবিধাসম্পন্ন সাধারণ স্মার্টফোন থাকলেই ডিটুসি কভারেজের আওতায় সেবা ব্যবহার করা যাবে। প্রাথমিকভাবে এসএমএস, ডেটা মেসেজিং ও হোয়াটসঅ্যাপ কলের সুবিধা দেওয়া হবে।
বাংলালিংকের মোবাইল নেটওয়ার্কের সঙ্গে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট প্রযুক্তি যুক্ত করে এ সেবা দেওয়া হবে। ফলে সাগর, দুর্গম দ্বীপ, উপকূল ও পাহাড়ি এলাকার মতো মোবাইল নেটওয়ার্কের সীমার বাইরে থাকা স্থানেও যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে।
বিশেষ করে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে, দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী মানুষ ও পর্যটকরা এ সেবার সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছে বাংলালিংক। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মোবাইল টাওয়ার বা অন্যান্য নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বিকল্প যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবেও ডিটুসি কাজে লাগতে পারে।
বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়োহান বুসে বলেন, সাগরে থাকা জেলে, দুর্গম এলাকার পরিবার কিংবা দুর্যোগে আটকে পড়া মানুষের যেন যোগাযোগ নিয়ে চিন্তা করতে না হয়, সেজন্য স্টারলিংকের মাধ্যমে আমরা প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের সীমার বাইরে সংযোগ পৌঁছে দিচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন