দেশে পাঁচটি নতুন ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের প্রাথমিক অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এখন এসব প্রতিষ্ঠানকে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ব্যাংক পাঁচটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া চার ব্যাংক হলো- ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান (উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংক), বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক (উদ্যোক্তা বিকাশের শেয়ারধারীরা), নোভা ডিজিটাল ব্যাংক (উদ্যোক্তা বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ) এবং বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক (উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড)। এর পাশাপাশি আগে থেকে প্রাথমিক অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা ‘কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক’কেও এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পর্ষদ।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন গ্রহণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণের সময়সীমা ছিল। তখন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা, মোবাইল অপারেটর ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন ১৩টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে।
তৎকালীন গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের মেয়াদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিক্ষোভসহ নানা জটিলতায় এসব আবেদনের অনুমোদন মেলেনি। পরবর্তীতে সরকার পরিবর্তনের পর মোস্তাকুর রহমান নতুন গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব নেন। নতুন করে আর কোনো আবেদন না নিয়ে আগের ১৩টি আবেদনের মধ্য থেকেই এ চার প্রতিষ্ঠানকে সম্মতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে পাঁচটি নতুন ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের প্রাথমিক অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এখন এসব প্রতিষ্ঠানকে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ব্যাংক পাঁচটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া চার ব্যাংক হলো- ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান (উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংক), বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক (উদ্যোক্তা বিকাশের শেয়ারধারীরা), নোভা ডিজিটাল ব্যাংক (উদ্যোক্তা বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ) এবং বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক (উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড)। এর পাশাপাশি আগে থেকে প্রাথমিক অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা ‘কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক’কেও এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পর্ষদ।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন গ্রহণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণের সময়সীমা ছিল। তখন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা, মোবাইল অপারেটর ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন ১৩টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে।
তৎকালীন গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের মেয়াদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিক্ষোভসহ নানা জটিলতায় এসব আবেদনের অনুমোদন মেলেনি। পরবর্তীতে সরকার পরিবর্তনের পর মোস্তাকুর রহমান নতুন গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব নেন। নতুন করে আর কোনো আবেদন না নিয়ে আগের ১৩টি আবেদনের মধ্য থেকেই এ চার প্রতিষ্ঠানকে সম্মতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।

আপনার মতামত লিখুন