দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৭৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৭৮২ জন। এ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মোট সংখ্যা ৬৯ হাজার ১৪৯ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া এক হাজার ৭৮২ রোগীর মধ্যে এক হাজার ৬৮ জন পুরুষ এবং ৭১৪ জন নারী। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ২১ থেকে ২৫ বছর বয়সী গ্রুপে- ২৬২ জন। এরপর ২৬ থেকে ৩০ বছর বয়সী ২৫৩ জন এবং ১৬ থেকে ২০ বছর বয়সী ২৩৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮৪ জনের। আর আক্রান্ত হয়েছেন ৬১ হাজার ৯৭২ জন। এর মধ্যে সেপ্টেম্বর মাসেই আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৫৫৪ জন, যা গত আগস্ট মাসের তুলনায় কিছুটা বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবার ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভিন্ন। সাধারণত জুন-জুলাই মাসে ডেঙ্গু সংক্রমণ বাড়লেও এবার আগস্টের শেষ থেকে সংক্রমণ হঠাৎ বেড়েছে। এর প্রধান কারণ- বর্ষা দেরিতে শুরু হওয়া এবং এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র বেড়ে যাওয়া।
ডেঙ্গু নিয়ে গবেষণায় দেখা গেছে, বৃষ্টির পানি জমে থাকা, নির্মাণাধীন ভবনের আশপাশে পানি জমা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব- এসব কারণে এডিস মশার প্রজনন বেড়ে যায়। এবারও সেই কারণেই সংক্রমণ বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ ছাড়া ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে তরুণদের সংখ্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তরুণরা দিনের বেলা বাইরে বেশি সময় কাটান, ফলে এডিস মশার কামড়ের ঝুঁকিতে বেশি পড়েন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এডিস মশার প্রজনন রোধ করা। ঘরের আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং দিনের বেলা শরীর ঢেকে রাখা- এসব পদক্ষেপ নিতে হবে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, প্রচুর তরল খাবার এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। জ্বর কমে গেলেও সতর্ক থাকতে হবে, কারণ ডেঙ্গুতে জ্বর কমার পরও জটিলতা দেখা দিতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। স্যালাইনের কোনো ঘাটতি নেই। জরুরি পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু রোগীদের সেবা দিতে মোবাইল হাসপাতাল ও সেনাবাহিনীও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৭৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৭৮২ জন। এ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মোট সংখ্যা ৬৯ হাজার ১৪৯ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া এক হাজার ৭৮২ রোগীর মধ্যে এক হাজার ৬৮ জন পুরুষ এবং ৭১৪ জন নারী। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ২১ থেকে ২৫ বছর বয়সী গ্রুপে- ২৬২ জন। এরপর ২৬ থেকে ৩০ বছর বয়সী ২৫৩ জন এবং ১৬ থেকে ২০ বছর বয়সী ২৩৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮৪ জনের। আর আক্রান্ত হয়েছেন ৬১ হাজার ৯৭২ জন। এর মধ্যে সেপ্টেম্বর মাসেই আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৫৫৪ জন, যা গত আগস্ট মাসের তুলনায় কিছুটা বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবার ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভিন্ন। সাধারণত জুন-জুলাই মাসে ডেঙ্গু সংক্রমণ বাড়লেও এবার আগস্টের শেষ থেকে সংক্রমণ হঠাৎ বেড়েছে। এর প্রধান কারণ- বর্ষা দেরিতে শুরু হওয়া এবং এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র বেড়ে যাওয়া।
ডেঙ্গু নিয়ে গবেষণায় দেখা গেছে, বৃষ্টির পানি জমে থাকা, নির্মাণাধীন ভবনের আশপাশে পানি জমা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব- এসব কারণে এডিস মশার প্রজনন বেড়ে যায়। এবারও সেই কারণেই সংক্রমণ বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ ছাড়া ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে তরুণদের সংখ্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তরুণরা দিনের বেলা বাইরে বেশি সময় কাটান, ফলে এডিস মশার কামড়ের ঝুঁকিতে বেশি পড়েন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এডিস মশার প্রজনন রোধ করা। ঘরের আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং দিনের বেলা শরীর ঢেকে রাখা- এসব পদক্ষেপ নিতে হবে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, প্রচুর তরল খাবার এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। জ্বর কমে গেলেও সতর্ক থাকতে হবে, কারণ ডেঙ্গুতে জ্বর কমার পরও জটিলতা দেখা দিতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। স্যালাইনের কোনো ঘাটতি নেই। জরুরি পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু রোগীদের সেবা দিতে মোবাইল হাসপাতাল ও সেনাবাহিনীও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন