বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে নগণ্য ভূমিকা থাকলেও বাংলাদেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের চরম বিরূপ প্রভাব বহন করতে হচ্ছে উল্লেখ করে ক্লাইমেট জাস্টিস, জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তায় জোরালো আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় কফ-৩১ (COP-31)-এ আরও জোরালো বৈশ্বিক সমর্থনের প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে পরিবেশ রক্ষায় দেশে গৃহীত বেশ কিছু বড় উদ্যোগের কথা তিনি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেন।
পরিবেশ সুরক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সৌরশক্তির ব্যবহার জোরদার করা হচ্ছে।
বন্যা ও খরা মোকাবিলায় সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন, সুন্দরবনে মিঠা পানির প্রবাহ বৃদ্ধি ও বৃহৎ জলাধারে পানি সংরক্ষণে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ এবং ‘পদ্মা ব্যারাজ’ বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন তিনি। পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার অংশ হিসেবে ১৯৯২ সালের ‘ওয়াটার কনভেনশন’-এ বাংলাদেশের স্বাক্ষরের বিষয়টি তিনি পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেন।
/

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে নগণ্য ভূমিকা থাকলেও বাংলাদেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের চরম বিরূপ প্রভাব বহন করতে হচ্ছে উল্লেখ করে ক্লাইমেট জাস্টিস, জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তায় জোরালো আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় কফ-৩১ (COP-31)-এ আরও জোরালো বৈশ্বিক সমর্থনের প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে পরিবেশ রক্ষায় দেশে গৃহীত বেশ কিছু বড় উদ্যোগের কথা তিনি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেন।
পরিবেশ সুরক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সৌরশক্তির ব্যবহার জোরদার করা হচ্ছে।
বন্যা ও খরা মোকাবিলায় সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন, সুন্দরবনে মিঠা পানির প্রবাহ বৃদ্ধি ও বৃহৎ জলাধারে পানি সংরক্ষণে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ এবং ‘পদ্মা ব্যারাজ’ বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন তিনি। পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার অংশ হিসেবে ১৯৯২ সালের ‘ওয়াটার কনভেনশন’-এ বাংলাদেশের স্বাক্ষরের বিষয়টি তিনি পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেন।
/

আপনার মতামত লিখুন