যশোরের বেনাপোল সীমান্তে টানা তিন দিন ধরে চোরাচালানবিরোধী পৃথক অভিযান চালিয়ে ১৭ লাখ ৮৭ হাজার ২৫০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত সীমান্ত এলাকায় দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল আটক করেন বিজিবির সদস্যরা। বিজিবির বেনাপোল বিওপি, আইসিপি ও আমড়াখালী চেকপোস্টের পৃথক টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
জব্দ করা মালামালের মধ্যে রয়েছে ১৪৮টি শাড়ি, ৪টি থ্রি-পিস, ৭টি কম্বল, ১টি শালচাদর, দেড় কেজি জিরা, আড়াই কেজি কিসমিস, ১৮ প্যাকেট ফুচকা, ২ প্যাকেট সোয়ান পাপড়ি, ৩৬৭টি বিভিন্ন ধরনের চকলেট, ৬১৯টি কসমেটিকস সামগ্রী ও ২ বোতল বিদেশি মদ।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান জানান, সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক ও চোরাচালানি মালামাল পাচার প্রতিরোধে বিজিবি বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এসব ভারতীয় পণ্য জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।
সীমান্তে চোরাচালান ও মাদকবিরোধী বিজিবির এমন কঠোর আভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোরের বেনাপোল সীমান্তে টানা তিন দিন ধরে চোরাচালানবিরোধী পৃথক অভিযান চালিয়ে ১৭ লাখ ৮৭ হাজার ২৫০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত সীমান্ত এলাকায় দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল আটক করেন বিজিবির সদস্যরা। বিজিবির বেনাপোল বিওপি, আইসিপি ও আমড়াখালী চেকপোস্টের পৃথক টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
জব্দ করা মালামালের মধ্যে রয়েছে ১৪৮টি শাড়ি, ৪টি থ্রি-পিস, ৭টি কম্বল, ১টি শালচাদর, দেড় কেজি জিরা, আড়াই কেজি কিসমিস, ১৮ প্যাকেট ফুচকা, ২ প্যাকেট সোয়ান পাপড়ি, ৩৬৭টি বিভিন্ন ধরনের চকলেট, ৬১৯টি কসমেটিকস সামগ্রী ও ২ বোতল বিদেশি মদ।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান জানান, সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক ও চোরাচালানি মালামাল পাচার প্রতিরোধে বিজিবি বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এসব ভারতীয় পণ্য জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।
সীমান্তে চোরাচালান ও মাদকবিরোধী বিজিবির এমন কঠোর আভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন