বাংলাদেশ ও ব্রাজিলের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, নতুন বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে (সাইডলাইন) শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো লুইজ ইকার ভিয়েইরার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন। এ সময় ঢাকা-ব্রাসিলিয়ার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের গতিশীলতায় উভয় পক্ষই সন্তোষ প্রকাশ করে।
আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্যিক সম্পৃক্ততা গভীরকরণ এবং ‘দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা’র (South-South Cooperation) আওতায় দুই বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রের সুসম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
এ ছাড়া প্রতিনিধিই দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। প্রচলিত খাতের বাইরে নতুন ও সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি, দুই দেশের জনগণের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলা এবং প্রাতিষ্ঠানিক মেলবন্ধন শক্ত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
\

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ ও ব্রাজিলের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, নতুন বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে (সাইডলাইন) শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো লুইজ ইকার ভিয়েইরার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন। এ সময় ঢাকা-ব্রাসিলিয়ার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের গতিশীলতায় উভয় পক্ষই সন্তোষ প্রকাশ করে।
আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্যিক সম্পৃক্ততা গভীরকরণ এবং ‘দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা’র (South-South Cooperation) আওতায় দুই বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রের সুসম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
এ ছাড়া প্রতিনিধিই দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। প্রচলিত খাতের বাইরে নতুন ও সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি, দুই দেশের জনগণের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলা এবং প্রাতিষ্ঠানিক মেলবন্ধন শক্ত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
\

আপনার মতামত লিখুন