সংবাদ

এক দশকে ১৪৬ হাতির মৃত্যু


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৯ পিএম

এক দশকে ১৪৬ হাতির মৃত্যু

  • বন উজাড়, খাদ্যের সংকটসহ নানা কারণে মানব-হাতি সংঘাত বাড়ছে
  • দুর্গম এলাকায় হাতি শিকার ও পাচারের ঘটনাও ঘটছে
  • মানুষ ও হাতির নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী

দেশে ২০১৬ সালে হাতি ছিল আনুমানিক ২৬৮টি।

বন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রায় এক দশকে ১৪৬টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। বন্য হাতির চলাচল প্রধানত শেরপুর, জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে বেশি। আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সংকুচিত হওয়া, বন উজাড়, খাদ্যের সংকট, সড়ক ও রেলপথ নির্মাণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈদ্যুতিক ফাঁদের মতো বিভিন্ন কারণে মানব-হাতি সংঘাত বাড়ছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানিয়ে বলেছেন, মানুষ ও হাতির নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় হাতি শিকার ও পাচারের বিষয়ে সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি বক্তব্যে বন্দী হাতির লাইসেন্স, সংখ্যা ও অবস্থার যথাযথ রেকর্ড সংরক্ষণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেন।

আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনের শৈলপ্রপাত মিলনায়তনে আয়োজিত “হাতি সংরক্ষণ: বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশমন্ত্রী। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), আইইউসিএন বাংলাদেশ, ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন অ্যালায়েন্স, অরণ্যক এবং দীপ ইকোলজি অ্যান্ড স্নেক কনজারভেশন ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সভায় বলেন, হাতি সংরক্ষণ শুধু একটি প্রাণীর সংখ্যা রক্ষার বিষয় নয়; এর সঙ্গে হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর, পরিবেশের ভারসাম্য এবং হাতির সঙ্গে বসবাসকারী মানুষের নিরাপত্তা ও জীবিকার বিষয়ও জড়িত।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বন্য হাতি দেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু বর্তমানে তাদের অস্তিত্ব গুরুতর সংকটের মুখে রয়েছে।

তিনি বলেন, হাতি যখন লোকালয় বা কৃষিজমিতে প্রবেশ করে, তখন মানুষ ও হাতি উভয়ই ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই সংঘাত ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর রক্ষা, সংঘাতপ্রবণ এলাকা চিহ্নিতকরণ, আগাম সতর্কতা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে।

স্থানীয় জনগণকে সংরক্ষণ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, এশীয় হাতির চলাচলের জন্য বিস্তৃত এলাকা প্রয়োজন, অথচ বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। ফলে হাতি সংরক্ষণ একটি জটিল কাজ এবং এটি কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য বন অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, অবকাঠামো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, সংরক্ষণ সংস্থা, গবেষক এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় হাতি শিকার ও পাচারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, এসব এলাকায় কার্যকর নজরদারি জোরদার করতে বন অধিদপ্তর ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়াতে হবে।

একই সঙ্গে সীমান্ত সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা পর্যায়েই হাতির ঐতিহ্যগত চলাচলের পথ বিবেচনায় রেখে হাতিসহ অন্যান্য বৃহৎ বন্যপ্রাণীর নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বন্দী হাতির কল্যাণ প্রসঙ্গে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বন্দী হাতির লাইসেন্স, সংখ্যা ও অবস্থার যথাযথ রেকর্ড সংরক্ষণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রশিক্ষণের নামে হাতিকে শিকলে রাখা, প্রহার ও নির্যাতনের অভিযোগ এবং সার্কাসসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের বিষয়গুলো যথাযথ আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। মানুষের তত্ত্বাবধানে থাকা হাতির জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা ও দায়িত্বশীল আচরণও নিশ্চিত করতে হবে।

হাতি সংরক্ষণে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সুরক্ষা, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে মানব–হাতি সংঘাত কমানো, বন্দী হাতির সংখ্যা, অবস্থান, লাইসেন্স ও কল্যাণের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান, সংরক্ষণ সংস্থা, গবেষক, আইন বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করা হবে।

সাবেক উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)-এর প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, পক্ষীবিদ ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ মুহাম্মদ আলী রেজা খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) শামিমা বেগম।

সভায় আয়োজক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের পাশাপাশি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, দেশি বিদেশী বিশেষজ্ঞ, গবেষক, পরিবেশবিদ, সংরক্ষণকর্মী, আইন বিশেষজ্ঞ, হাতি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সম্পৃক্ত বিভিন্ন অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


এক দশকে ১৪৬ হাতির মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

  • বন উজাড়, খাদ্যের সংকটসহ নানা কারণে মানব-হাতি সংঘাত বাড়ছে
  • দুর্গম এলাকায় হাতি শিকার ও পাচারের ঘটনাও ঘটছে
  • মানুষ ও হাতির নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী

দেশে ২০১৬ সালে হাতি ছিল আনুমানিক ২৬৮টি।

বন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রায় এক দশকে ১৪৬টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। বন্য হাতির চলাচল প্রধানত শেরপুর, জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে বেশি। আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সংকুচিত হওয়া, বন উজাড়, খাদ্যের সংকট, সড়ক ও রেলপথ নির্মাণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈদ্যুতিক ফাঁদের মতো বিভিন্ন কারণে মানব-হাতি সংঘাত বাড়ছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানিয়ে বলেছেন, মানুষ ও হাতির নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় হাতি শিকার ও পাচারের বিষয়ে সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি বক্তব্যে বন্দী হাতির লাইসেন্স, সংখ্যা ও অবস্থার যথাযথ রেকর্ড সংরক্ষণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেন।

আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনের শৈলপ্রপাত মিলনায়তনে আয়োজিত “হাতি সংরক্ষণ: বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশমন্ত্রী। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), আইইউসিএন বাংলাদেশ, ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন অ্যালায়েন্স, অরণ্যক এবং দীপ ইকোলজি অ্যান্ড স্নেক কনজারভেশন ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সভায় বলেন, হাতি সংরক্ষণ শুধু একটি প্রাণীর সংখ্যা রক্ষার বিষয় নয়; এর সঙ্গে হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর, পরিবেশের ভারসাম্য এবং হাতির সঙ্গে বসবাসকারী মানুষের নিরাপত্তা ও জীবিকার বিষয়ও জড়িত।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বন্য হাতি দেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু বর্তমানে তাদের অস্তিত্ব গুরুতর সংকটের মুখে রয়েছে।

তিনি বলেন, হাতি যখন লোকালয় বা কৃষিজমিতে প্রবেশ করে, তখন মানুষ ও হাতি উভয়ই ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই সংঘাত ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর রক্ষা, সংঘাতপ্রবণ এলাকা চিহ্নিতকরণ, আগাম সতর্কতা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে।

স্থানীয় জনগণকে সংরক্ষণ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, এশীয় হাতির চলাচলের জন্য বিস্তৃত এলাকা প্রয়োজন, অথচ বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। ফলে হাতি সংরক্ষণ একটি জটিল কাজ এবং এটি কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য বন অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, অবকাঠামো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, সংরক্ষণ সংস্থা, গবেষক এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় হাতি শিকার ও পাচারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, এসব এলাকায় কার্যকর নজরদারি জোরদার করতে বন অধিদপ্তর ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়াতে হবে।

একই সঙ্গে সীমান্ত সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা পর্যায়েই হাতির ঐতিহ্যগত চলাচলের পথ বিবেচনায় রেখে হাতিসহ অন্যান্য বৃহৎ বন্যপ্রাণীর নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বন্দী হাতির কল্যাণ প্রসঙ্গে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বন্দী হাতির লাইসেন্স, সংখ্যা ও অবস্থার যথাযথ রেকর্ড সংরক্ষণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রশিক্ষণের নামে হাতিকে শিকলে রাখা, প্রহার ও নির্যাতনের অভিযোগ এবং সার্কাসসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের বিষয়গুলো যথাযথ আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। মানুষের তত্ত্বাবধানে থাকা হাতির জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা ও দায়িত্বশীল আচরণও নিশ্চিত করতে হবে।

হাতি সংরক্ষণে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সুরক্ষা, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে মানব–হাতি সংঘাত কমানো, বন্দী হাতির সংখ্যা, অবস্থান, লাইসেন্স ও কল্যাণের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান, সংরক্ষণ সংস্থা, গবেষক, আইন বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করা হবে।

সাবেক উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)-এর প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, পক্ষীবিদ ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ মুহাম্মদ আলী রেজা খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) শামিমা বেগম।

সভায় আয়োজক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের পাশাপাশি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, দেশি বিদেশী বিশেষজ্ঞ, গবেষক, পরিবেশবিদ, সংরক্ষণকর্মী, আইন বিশেষজ্ঞ, হাতি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সম্পৃক্ত বিভিন্ন অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত