আদিবাসী জনগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে নওগাঁয় তিনটি কর্মমুখী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (SICP)–PKSF প্রকল্পের আওতায় এসব প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নওগাঁর রুমিয়া প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন SICP-এর নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন।
শ্রমবাজারের বর্তমান চাহিদা বিবেচনা করে ফুড অ্যান্ড বেভারেজ প্রোডাকশন, বেকারি অ্যান্ড পেস্ট্রি প্রোডাকশন এবং বিউটিফিকেশন–এই তিনটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আয়োজকেরা জানান, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা হাতে-কলমে কাজ শেখার পাশাপাশি চাকরি, আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ পাবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন বলেন, ‘শুধু প্রশিক্ষণ দিলেই হবে না, প্রশিক্ষণার্থীরা যাতে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বাস্তব জীবনে আয় করতে পারেন, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। প্রশিক্ষণের সঙ্গে কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারলে এর সুফল দীর্ঘস্থায়ী হবে।’
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর তরুণদের বাজারমুখী প্রশিক্ষণের আওতায় আনা গেলে তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়বে এবং পরিবারের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে। দক্ষতা অর্জনের পর দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
রুমিয়া প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের উপদেষ্টা ডা. মো. ময়নুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন SICP-এর যুগ্ম সচিব ও উপ-নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মাইনুল হাসান, যুগ্ম সচিব ও সহকারী নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক নূরউদ্দিন আল ফারুক এবং ভূঁঞা মোহাম্মদ রেজাউর রহমান ছিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন SICP-PKSF-এর কোঅর্ডিনেটর গোলাম রাব্বি, রুমিয়া প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনতারা ফাহমিদা, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম, নাটোর জেলা কমিটির সভাপতি রঘুনাথ এক্কা ও মহাদেবপুর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক যোগেশ ওরাও।
আয়োজকেরা আশা করছেন, স্থানীয় পর্যায়ে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ওপর নির্ভর না করে এ ধরনের পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তরুণদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আদিবাসী জনগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে নওগাঁয় তিনটি কর্মমুখী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (SICP)–PKSF প্রকল্পের আওতায় এসব প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নওগাঁর রুমিয়া প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন SICP-এর নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন।
শ্রমবাজারের বর্তমান চাহিদা বিবেচনা করে ফুড অ্যান্ড বেভারেজ প্রোডাকশন, বেকারি অ্যান্ড পেস্ট্রি প্রোডাকশন এবং বিউটিফিকেশন–এই তিনটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আয়োজকেরা জানান, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা হাতে-কলমে কাজ শেখার পাশাপাশি চাকরি, আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ পাবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন বলেন, ‘শুধু প্রশিক্ষণ দিলেই হবে না, প্রশিক্ষণার্থীরা যাতে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বাস্তব জীবনে আয় করতে পারেন, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। প্রশিক্ষণের সঙ্গে কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারলে এর সুফল দীর্ঘস্থায়ী হবে।’
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর তরুণদের বাজারমুখী প্রশিক্ষণের আওতায় আনা গেলে তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়বে এবং পরিবারের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে। দক্ষতা অর্জনের পর দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
রুমিয়া প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের উপদেষ্টা ডা. মো. ময়নুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন SICP-এর যুগ্ম সচিব ও উপ-নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মাইনুল হাসান, যুগ্ম সচিব ও সহকারী নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক নূরউদ্দিন আল ফারুক এবং ভূঁঞা মোহাম্মদ রেজাউর রহমান ছিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন SICP-PKSF-এর কোঅর্ডিনেটর গোলাম রাব্বি, রুমিয়া প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনতারা ফাহমিদা, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম, নাটোর জেলা কমিটির সভাপতি রঘুনাথ এক্কা ও মহাদেবপুর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক যোগেশ ওরাও।
আয়োজকেরা আশা করছেন, স্থানীয় পর্যায়ে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ওপর নির্ভর না করে এ ধরনের পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তরুণদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আপনার মতামত লিখুন