শীতের আগমনী বার্তা মিলতেই আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার কৃষকেরা। মৌসুমের শুরুতেই বাজারে সবজি তুলে বাড়তি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের মাঠে মাঠে চলছে জমি প্রস্তুত, বীজতলা তৈরি ও চারা রোপণের ধুম।
কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘিওর উপজেলার বড়টিয়া, পয়লা, সিংজুরী, বানিয়াজুরী ও বালিযাধোড়া ইউনিয়নসহ বিস্তীর্ণ এলাকার মাঠে বেগুন, উচ্ছে, করলা, শিম, ফুলকপি ও বাঁধাকপির মতো আগাম সবজির চাষ করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৩ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন বিভিন্ন জাতের সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্থানীয় কৃষি অফিস।
সরেজমিনে বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জমিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন চাষিরা। কেউ মাটি তৈরি ও মই দিচ্ছেন, আবার কেউ সারিবদ্ধভাবে চারা রোপণ ও পরিচর্যায় নিমগ্ন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে এসব আগাম সবজি বাজারে উঠতে শুরু করবে বলে আশা করছেন তারা।
উপজেলার মাইলাগী গ্রামের কৃষক আব্দুল মোন্নাফ জানান, এবার জমিতে বন্যার পানি না ওঠায় আগেভাগেই বেগুনের আবাদ করেছেন। তবে সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার উৎপাদন খরচ কিছুটা বেশি। অন্যদিকে ঠাকুরকান্দি গ্রামের কৃষক মজিবর ও জয়নাল বলেন, আগাম সবজি চাষে লাভ বেশি হলেও অতিবৃষ্টি বা রোগের প্রাদুর্ভাব হলে বড় ধরনের ঝুঁকির আশঙ্কা থাকে। তাই বাজারে পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
ঘিওর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। কৃষকদের মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ, কারিগরি সহযোগিতা এবং নিরাপদ সবজি উৎপাদনে সচেতন করা হচ্ছে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শীতের আগমনী বার্তা মিলতেই আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার কৃষকেরা। মৌসুমের শুরুতেই বাজারে সবজি তুলে বাড়তি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের মাঠে মাঠে চলছে জমি প্রস্তুত, বীজতলা তৈরি ও চারা রোপণের ধুম।
কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘিওর উপজেলার বড়টিয়া, পয়লা, সিংজুরী, বানিয়াজুরী ও বালিযাধোড়া ইউনিয়নসহ বিস্তীর্ণ এলাকার মাঠে বেগুন, উচ্ছে, করলা, শিম, ফুলকপি ও বাঁধাকপির মতো আগাম সবজির চাষ করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৩ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন বিভিন্ন জাতের সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্থানীয় কৃষি অফিস।
সরেজমিনে বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জমিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন চাষিরা। কেউ মাটি তৈরি ও মই দিচ্ছেন, আবার কেউ সারিবদ্ধভাবে চারা রোপণ ও পরিচর্যায় নিমগ্ন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে এসব আগাম সবজি বাজারে উঠতে শুরু করবে বলে আশা করছেন তারা।
উপজেলার মাইলাগী গ্রামের কৃষক আব্দুল মোন্নাফ জানান, এবার জমিতে বন্যার পানি না ওঠায় আগেভাগেই বেগুনের আবাদ করেছেন। তবে সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার উৎপাদন খরচ কিছুটা বেশি। অন্যদিকে ঠাকুরকান্দি গ্রামের কৃষক মজিবর ও জয়নাল বলেন, আগাম সবজি চাষে লাভ বেশি হলেও অতিবৃষ্টি বা রোগের প্রাদুর্ভাব হলে বড় ধরনের ঝুঁকির আশঙ্কা থাকে। তাই বাজারে পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
ঘিওর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। কৃষকদের মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ, কারিগরি সহযোগিতা এবং নিরাপদ সবজি উৎপাদনে সচেতন করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন