দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবজি উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র যশোরে এবার আগাম মেটে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। শীতের আগেই বাজারে আসা এই আলুর ভালো দাম পেয়ে খুশি স্থানীয় কৃষকেরা। কম খরচ ও কম পরিচর্যায় বেশি লাভ হওয়ায় জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মেটে আলুর চাষ বাড়ছে।
যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ খরিফ-২ মৌসুমে জেলায় ৬৮০ হেক্টর জমিতে মেটে আলুর চাষ হয়েছে, যা গত বছর ছিল ৫২০ হেক্টর। এবার জেলায় প্রায় ১৮ হাজার মেট্রিক টন মেটে আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। বিশেষ করে সদর, ঝিকরগাছা, চৌগাছা ও শার্শা উপজেলায় এই আলুর ফলন বেশি হয়েছে।
বর্তমানে স্থানীয় হাটবাজারে প্রতি কেজি আগাম মেটে আলু ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। এক বিঘা জমিতে মেটে আলু চাষে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ করে ৪০ থেকে ৫০ মণ ফলন পাওয়া যায়। ফলে আগাম বাজারে বিক্রি করে বিঘা প্রতি ১ লাখ টাকারও বেশি লাভ করছেন কৃষকেরা।
যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হাসান জানান, জেলার উঁচু ও বেলে-দোআঁশ মাটি মেটে আলু চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকদের উন্নত জাতের বীজ ও মাচা পদ্ধতিতে চাষে উৎসাহিত করার পাশাপাশি বসতবাড়ির আঙিনায় এই আলু চাষ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবজি উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র যশোরে এবার আগাম মেটে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। শীতের আগেই বাজারে আসা এই আলুর ভালো দাম পেয়ে খুশি স্থানীয় কৃষকেরা। কম খরচ ও কম পরিচর্যায় বেশি লাভ হওয়ায় জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মেটে আলুর চাষ বাড়ছে।
যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ খরিফ-২ মৌসুমে জেলায় ৬৮০ হেক্টর জমিতে মেটে আলুর চাষ হয়েছে, যা গত বছর ছিল ৫২০ হেক্টর। এবার জেলায় প্রায় ১৮ হাজার মেট্রিক টন মেটে আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। বিশেষ করে সদর, ঝিকরগাছা, চৌগাছা ও শার্শা উপজেলায় এই আলুর ফলন বেশি হয়েছে।
বর্তমানে স্থানীয় হাটবাজারে প্রতি কেজি আগাম মেটে আলু ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। এক বিঘা জমিতে মেটে আলু চাষে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ করে ৪০ থেকে ৫০ মণ ফলন পাওয়া যায়। ফলে আগাম বাজারে বিক্রি করে বিঘা প্রতি ১ লাখ টাকারও বেশি লাভ করছেন কৃষকেরা।
যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হাসান জানান, জেলার উঁচু ও বেলে-দোআঁশ মাটি মেটে আলু চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকদের উন্নত জাতের বীজ ও মাচা পদ্ধতিতে চাষে উৎসাহিত করার পাশাপাশি বসতবাড়ির আঙিনায় এই আলু চাষ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন