সংবাদ

রোহিঙ্গা সংকট সমাধান জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম

রোহিঙ্গা সংকট সমাধান জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ অত্যন্ত সার্থক ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছান এবং চারদিনের ব্যস্ত কর্মসূচি শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে দেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর ভোরে নিরাপদে দেশে ফেরেন।

নতুন সরকারের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এটি ছিল প্রথম অংশগ্রহণ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও প্রথমবারের মতো বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিলেন। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করায় এবারের অধিবেশন দেশের জন্য অত্যন্ত বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সংক্ষিপ্ত এই সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর মধ্যে সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে ঐতিহাসিক ভাষণ, সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য, ১১টি দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ বিতর্কে বাংলায় দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, পুনর্গঠনে ‘থ্রি-আর’ কৌশল, নারী ও তরুণদের ক্ষমতায়ন এবং এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন।

এছাড়া ২৩ সেপ্টেম্বর জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের জোরালো অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। সফরকালে তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান, থাইল্যান্ডসহ ১১টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘ মহাসচিবসহ বিশ্বমাতৃদুনিয়ার শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক হয়।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বক্তব্যে দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন, সহিংসতার অবসান এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

পাশাপাশি বৈশ্বিক যুদ্ধ, সংঘাত ও মানবিক সংকট নিরসনে সংলাপ এবং বহুপাক্ষিক কূটনীতির কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন, এবারের অধিবেশনে সরকারের এই দূরদর্শী অংশগ্রহণ বিশ্ব পরিসরে নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক আরও বহুগুণ সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রোহিঙ্গা সংকট সমাধান জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে

প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ অত্যন্ত সার্থক ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছান এবং চারদিনের ব্যস্ত কর্মসূচি শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে দেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর ভোরে নিরাপদে দেশে ফেরেন।

নতুন সরকারের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এটি ছিল প্রথম অংশগ্রহণ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও প্রথমবারের মতো বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিলেন। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করায় এবারের অধিবেশন দেশের জন্য অত্যন্ত বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সংক্ষিপ্ত এই সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর মধ্যে সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে ঐতিহাসিক ভাষণ, সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য, ১১টি দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ বিতর্কে বাংলায় দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, পুনর্গঠনে ‘থ্রি-আর’ কৌশল, নারী ও তরুণদের ক্ষমতায়ন এবং এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন।

এছাড়া ২৩ সেপ্টেম্বর জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের জোরালো অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। সফরকালে তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান, থাইল্যান্ডসহ ১১টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘ মহাসচিবসহ বিশ্বমাতৃদুনিয়ার শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক হয়।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বক্তব্যে দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন, সহিংসতার অবসান এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

পাশাপাশি বৈশ্বিক যুদ্ধ, সংঘাত ও মানবিক সংকট নিরসনে সংলাপ এবং বহুপাক্ষিক কূটনীতির কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন, এবারের অধিবেশনে সরকারের এই দূরদর্শী অংশগ্রহণ বিশ্ব পরিসরে নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক আরও বহুগুণ সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত