প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হুমুদি।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসব সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন সহযোগিতার পরিধি আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।
উপ-প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় বেইজিংয়ের সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। ইয়াও ওয়েন আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
এছাড়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ও কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করায় তাকে অভিনন্দন জানান বিদায়ী রাষ্ট্রদূত।
এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন উপস্থিত ছিলেন।
একই দিন বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হুমুদি। বৈঠকে বাংলাদেশে আমিরাতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থান তৈরির বিষয়টি প্রাধান্য পায়।
আলোচনায় জ্বালানি, অবকাঠামো, বিমান চলাচল, তথ্যপ্রযুক্তি, রেলওয়ে ও লজিস্টিকস খাতে দুই দেশের সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ সময় রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার দেশের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এই বৈঠকেও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং আমিরাত দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হুমুদি।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসব সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন সহযোগিতার পরিধি আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।
উপ-প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় বেইজিংয়ের সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। ইয়াও ওয়েন আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
এছাড়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ও কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করায় তাকে অভিনন্দন জানান বিদায়ী রাষ্ট্রদূত।
এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন উপস্থিত ছিলেন।
একই দিন বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হুমুদি। বৈঠকে বাংলাদেশে আমিরাতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থান তৈরির বিষয়টি প্রাধান্য পায়।
আলোচনায় জ্বালানি, অবকাঠামো, বিমান চলাচল, তথ্যপ্রযুক্তি, রেলওয়ে ও লজিস্টিকস খাতে দুই দেশের সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ সময় রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার দেশের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এই বৈঠকেও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং আমিরাত দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন