নোয়াখালীতে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক ডা. মো. শেখ ছাদেকের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ারসসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ। অনুষ্ঠানে জেলা পর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেন, প্রচার-প্রচারণার কাজকে বেগবান করতে হলে কাজের বাইরেও গ্রাম আদালত বিষয়ে আলোচনা করতে হবে। চেয়ারম্যানদের ইতিবাচক মানসিকতা থাকলে এ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া খুব সহজ। গ্রাম আদালত সক্রিয় হলে জেলায় অনেক অপরাধ কমে আসবে। একই সঙ্গে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে থানা বা জেলা আদালতে যেতে হবে না। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যেমন কমবে, তেমনি সঠিক বিচার পাওয়াও সহজ হবে। তবে সেক্ষেত্রে সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে যেমন সক্রিয় হতে হবে, একই সঙ্গে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদেরও সচেষ্ট হতে হবে। না হলে এ কার্যক্রম দীর্ঘস্থায়ী করা সম্ভব নয়।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নোয়াখালীতে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক ডা. মো. শেখ ছাদেকের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ারসসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ। অনুষ্ঠানে জেলা পর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেন, প্রচার-প্রচারণার কাজকে বেগবান করতে হলে কাজের বাইরেও গ্রাম আদালত বিষয়ে আলোচনা করতে হবে। চেয়ারম্যানদের ইতিবাচক মানসিকতা থাকলে এ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া খুব সহজ। গ্রাম আদালত সক্রিয় হলে জেলায় অনেক অপরাধ কমে আসবে। একই সঙ্গে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে থানা বা জেলা আদালতে যেতে হবে না। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যেমন কমবে, তেমনি সঠিক বিচার পাওয়াও সহজ হবে। তবে সেক্ষেত্রে সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে যেমন সক্রিয় হতে হবে, একই সঙ্গে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদেরও সচেষ্ট হতে হবে। না হলে এ কার্যক্রম দীর্ঘস্থায়ী করা সম্ভব নয়।

আপনার মতামত লিখুন