নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার ভেতর থেকে শাজাহান তালুকদার (৭৫) নামে এক সাবেক কর্মচারীর বিকৃত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সীমানা প্রাচীরসংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে হাত-পায়ের আঙুল ও গোপনাঙ্গ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় উদ্ধার করা এই লাশ ঘিরে কারখানা ও আশপাশের এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পলাশ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত শাজাহান তালুকদারের স্থায়ী বাড়ি বরিশাল জেলায়। তিনি দীর্ঘদিন ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানায় কাজ করার পর চার বছর আগে অবসরে যান। অবসরের পর থেকে তিনি পলাশ উপজেলার খানপুর এলাকায় বসবাস করছিলেন। তার দুই ছেলের মধ্যে একজন তার সঙ্গেই খানপুরে থাকতেন এবং অন্যজন বরিশালে থাকেন।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া লাশটিতে পচন ধরে আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। নিহতের হাত ও পায়ের আঙুল এবং পুরুষাঙ্গ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া গেছে, যা থেকে এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
লাশ উদ্ধারের পর নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানান, 'নিহত ব্যক্তি ওই সার কারখানারই সাবেক কর্মচারী। তিনি খানপুর এলাকায় বসবাস করছিলেন। তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া গেছে। কীভাবে এবং কী উদ্দেশ্যে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।'

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার ভেতর থেকে শাজাহান তালুকদার (৭৫) নামে এক সাবেক কর্মচারীর বিকৃত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সীমানা প্রাচীরসংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে হাত-পায়ের আঙুল ও গোপনাঙ্গ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় উদ্ধার করা এই লাশ ঘিরে কারখানা ও আশপাশের এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পলাশ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত শাজাহান তালুকদারের স্থায়ী বাড়ি বরিশাল জেলায়। তিনি দীর্ঘদিন ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানায় কাজ করার পর চার বছর আগে অবসরে যান। অবসরের পর থেকে তিনি পলাশ উপজেলার খানপুর এলাকায় বসবাস করছিলেন। তার দুই ছেলের মধ্যে একজন তার সঙ্গেই খানপুরে থাকতেন এবং অন্যজন বরিশালে থাকেন।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া লাশটিতে পচন ধরে আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। নিহতের হাত ও পায়ের আঙুল এবং পুরুষাঙ্গ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া গেছে, যা থেকে এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
লাশ উদ্ধারের পর নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানান, 'নিহত ব্যক্তি ওই সার কারখানারই সাবেক কর্মচারী। তিনি খানপুর এলাকায় বসবাস করছিলেন। তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া গেছে। কীভাবে এবং কী উদ্দেশ্যে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।'

আপনার মতামত লিখুন