সংবাদ

খামারিকে অপহরণ করে ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি


প্রতিনিধি, শেরপুর (বগুড়া)
প্রতিনিধি, শেরপুর (বগুড়া)
প্রকাশ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৭ পিএম

খামারিকে অপহরণ করে ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি
ছবি : সংগৃহীত

বগুড়ার শেরপুরে শরীফ শেখ (৩৪) নামের এক মুরগির খামারিকে অপহরণের পর ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি ও কয়েক দফায় নির্মম শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় আসামি মিটু হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ভুক্তভোগীর স্ত্রী সাদিয়া খাতুন বাদী হয়ে শেরপুর থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৫ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ৮টার দিকে গাড়িদহ ইউনিয়নের চারমাথা এলাকা থেকে শরীফ শেখকে অপহরণ করা হয়। পরে তাকে রাসেল বাবু হিমুর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার কাছে ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ। টাকা দিতে না পারায় তাকে দফায় দফায় শারীরিক নির্যাতন করা হয়।

ভুক্তভোগী শরীফের ভাষ্য, হিমুর কার্যালয় থেকে তাকে মিটু হোসেনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও টাকা আদায়ের জন্য চাপ দেওয়া ও নির্যাতন চালানো হয়। পরে অন্য আরেকটি স্থানে নিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা চলে। শরীফ জানান, অপহরণের পাঁচ দিন পর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে শেরপুরের একটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে তাকে ফেলে রেখে চলে যায় অপহরণকারীরা।

শরীফ শেখ বর্তমানে মুরগির খামার ব্যবসা করেন। এর আগে তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। শরীফের পরিবারের দাবি, ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের জন্য জমি অধিগ্রহণের সময় ক্ষতিপূরণ বাবদ তিনি বেশ কিছু টাকা পেয়েছিলেন। সেই টাকা দিয়ে তিনি বাড়ি নির্মাণ করেন। ওই টাকার বিষয়টি জেনেই একটি চক্র তাকে অপহরণ করে থাকতে পারে।

শরীফের বাবা হারেজ শেখ বলেন, 'আমার ছেলেকে তুলে নিয়ে গিয়ে কয়েক দিন আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।'

শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন বলেন, 'মামলা হওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় আসামি মিটু হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।'

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


খামারিকে অপহরণ করে ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বগুড়ার শেরপুরে শরীফ শেখ (৩৪) নামের এক মুরগির খামারিকে অপহরণের পর ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি ও কয়েক দফায় নির্মম শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় আসামি মিটু হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ভুক্তভোগীর স্ত্রী সাদিয়া খাতুন বাদী হয়ে শেরপুর থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৫ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ৮টার দিকে গাড়িদহ ইউনিয়নের চারমাথা এলাকা থেকে শরীফ শেখকে অপহরণ করা হয়। পরে তাকে রাসেল বাবু হিমুর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার কাছে ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ। টাকা দিতে না পারায় তাকে দফায় দফায় শারীরিক নির্যাতন করা হয়।

ভুক্তভোগী শরীফের ভাষ্য, হিমুর কার্যালয় থেকে তাকে মিটু হোসেনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও টাকা আদায়ের জন্য চাপ দেওয়া ও নির্যাতন চালানো হয়। পরে অন্য আরেকটি স্থানে নিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা চলে। শরীফ জানান, অপহরণের পাঁচ দিন পর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে শেরপুরের একটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে তাকে ফেলে রেখে চলে যায় অপহরণকারীরা।

শরীফ শেখ বর্তমানে মুরগির খামার ব্যবসা করেন। এর আগে তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। শরীফের পরিবারের দাবি, ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের জন্য জমি অধিগ্রহণের সময় ক্ষতিপূরণ বাবদ তিনি বেশ কিছু টাকা পেয়েছিলেন। সেই টাকা দিয়ে তিনি বাড়ি নির্মাণ করেন। ওই টাকার বিষয়টি জেনেই একটি চক্র তাকে অপহরণ করে থাকতে পারে।

শরীফের বাবা হারেজ শেখ বলেন, 'আমার ছেলেকে তুলে নিয়ে গিয়ে কয়েক দিন আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।'

শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন বলেন, 'মামলা হওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় আসামি মিটু হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।'


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত