বগুড়ার শেরপুরে অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (৪ অক্টোবর) তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন শেরপুর উপজেলার খোট্টাপাড়া এলাকার মো. জুয়েল রানা (২৮), মো. জাহিদুল ইসলাম (৪৮) এবং রামচন্দ্রপুরপাড়া এলাকার দুই নারী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর পৌর শহরের জগন্নাথপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে–এমন সন্দেহে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সেখানে যান। তারা মামুন নামের এক ব্যক্তিসহ পাঁচজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তবে মামুন দাবি করেছেন, বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য তিনি ওই বাসায় গিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতাউর বলেন, দুই নারীসহ চারজনের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে আটক মামুনের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
বগুড়ার শেরপুরে অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (৪ অক্টোবর) তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন শেরপুর উপজেলার খোট্টাপাড়া এলাকার মো. জুয়েল রানা (২৮), মো. জাহিদুল ইসলাম (৪৮) এবং রামচন্দ্রপুরপাড়া এলাকার দুই নারী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর পৌর শহরের জগন্নাথপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে–এমন সন্দেহে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সেখানে যান। তারা মামুন নামের এক ব্যক্তিসহ পাঁচজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তবে মামুন দাবি করেছেন, বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য তিনি ওই বাসায় গিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতাউর বলেন, দুই নারীসহ চারজনের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে আটক মামুনের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন