সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করে।
জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এ বি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী। সভায় জানানো হয়, চলতি বছর চুয়াডাঙ্গা জেলার চারটি উপজেলায় মোট ১১৬টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে আলমডাঙ্গা উপজেলায় ৩৯টি, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ৩৩টি, জীবননগর উপজেলায় ২৪টি এবং দামুড়হুদা উপজেলায় ২০টি মণ্ডপ রয়েছে।
পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রতিটি মণ্ডপে বাধ্যতামূলকভাবে সিসিটিভি ও নাইটভিশন ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা এবং পূজা কমিটির পক্ষ থেকে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দর্শনার্থীদের শৃঙ্খলা রক্ষায় নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক প্রবেশপথের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে আজানের সময় থেকে নামাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত মণ্ডপে ঢাক-ঢোল ও সাউন্ড সিস্টেম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিজয়া দশমীর দিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, ‘দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কেউ গণমাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পূজামণ্ডপের আশপাশে বড় ধরনের মেলা বসানো যাবে না। রাতে প্রতিমা যাতে কোনোভাবে অরক্ষিত না থাকে, সে বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে হবে।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার, জেলা পরিষদের প্রশাসক শরিফুজ্জামান শরীফ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শারমিন আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উত্তম রঞ্জন দেবনাথসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করে।
জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এ বি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী। সভায় জানানো হয়, চলতি বছর চুয়াডাঙ্গা জেলার চারটি উপজেলায় মোট ১১৬টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে আলমডাঙ্গা উপজেলায় ৩৯টি, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ৩৩টি, জীবননগর উপজেলায় ২৪টি এবং দামুড়হুদা উপজেলায় ২০টি মণ্ডপ রয়েছে।
পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রতিটি মণ্ডপে বাধ্যতামূলকভাবে সিসিটিভি ও নাইটভিশন ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা এবং পূজা কমিটির পক্ষ থেকে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দর্শনার্থীদের শৃঙ্খলা রক্ষায় নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক প্রবেশপথের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে আজানের সময় থেকে নামাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত মণ্ডপে ঢাক-ঢোল ও সাউন্ড সিস্টেম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিজয়া দশমীর দিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, ‘দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কেউ গণমাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পূজামণ্ডপের আশপাশে বড় ধরনের মেলা বসানো যাবে না। রাতে প্রতিমা যাতে কোনোভাবে অরক্ষিত না থাকে, সে বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে হবে।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার, জেলা পরিষদের প্রশাসক শরিফুজ্জামান শরীফ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শারমিন আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উত্তম রঞ্জন দেবনাথসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন