চাঁদপুর সদর থানা এলাকায় মাদক, অনলাইন জুয়া এবং কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
চাঁদপুর সদর সার্কেলের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহম্মেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুলিশের একাধিক দল শহরের বিভিন্ন স্থানে একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ জানায়, রাতে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা করার সময় ওই ১৯ জনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে তারা রাতে অযাচিতভাবে ঘুরে বেড়ানোর কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৩ জনের বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো অপরাধের রেকর্ড না থাকায় তাদের সতর্ক করে এবং প্রথমবারের মতো সংশোধনের সুযোগ দিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ জনের বিরুদ্ধে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এ ছাড়া আটক অন্য এক ব্যক্তি দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামি। আটকের সময় তার কাছ থেকে ১৫০টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে মাদক আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, তরুণ ও কিশোরদের মাদক, অনলাইন জুয়া এবং কিশোর গ্যাংয়ের অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতেই এ অভিযান চালানো হয়েছে। জনস্বার্থে পুলিশের এ অপরাধবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
চাঁদপুর সদর থানা এলাকায় মাদক, অনলাইন জুয়া এবং কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
চাঁদপুর সদর সার্কেলের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহম্মেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুলিশের একাধিক দল শহরের বিভিন্ন স্থানে একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ জানায়, রাতে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা করার সময় ওই ১৯ জনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে তারা রাতে অযাচিতভাবে ঘুরে বেড়ানোর কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৩ জনের বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো অপরাধের রেকর্ড না থাকায় তাদের সতর্ক করে এবং প্রথমবারের মতো সংশোধনের সুযোগ দিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ জনের বিরুদ্ধে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এ ছাড়া আটক অন্য এক ব্যক্তি দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামি। আটকের সময় তার কাছ থেকে ১৫০টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে মাদক আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, তরুণ ও কিশোরদের মাদক, অনলাইন জুয়া এবং কিশোর গ্যাংয়ের অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতেই এ অভিযান চালানো হয়েছে। জনস্বার্থে পুলিশের এ অপরাধবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন