জামালপুরের ইসলামপুরে সীমানা বিরোধের জেরে সার ব্যবসায়ী আতাউর রহমান ওরফে আগাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। রোববার (১১ অক্টোবর) নিহতের দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। এদিকে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ এ পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর সকালে ইসলামপুর পৌরসভার দক্ষিণ ভেঙ্গুড়া এলাকায় বসতবাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ওই দিন প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মো. সোজার বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বসতঘর ভাঙচুরের প্রতিবাদ করলে সার ব্যবসায়ী আতাউর রহমানের ওপর চড়াও হয় হামলাকারীরা। তারা লোহার শাবল, হাতুড়ি, রড ও লাঠিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত ও কুপিয়ে আতাউর রহমানকে গুরুতর জখম করেন। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলাকারীরা তাণ্ডব চালিয়ে বসতঘরের টিনের বেড়া, ইটের দেয়াল, টিউবওয়েল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য আহত হন।
নিহতের দাফন শেষে আয়োজিত বিক্ষোভে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বক্তব্য দেন আরিফুল ইসলাম আজিম, মোহাম্মদ বিপুল মিয়া, মোবারক হোসেন, নূর ইসলাম, আবুল কাসেম ও রিয়াজুল ইসলাম। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এদিকে নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে, মামলা তুলে নিতে এবং এ বিষয়ে মুখ না খুলতে আসামিপক্ষের লোকজন তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। এতে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
জামালপুরের ইসলামপুরে সীমানা বিরোধের জেরে সার ব্যবসায়ী আতাউর রহমান ওরফে আগাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। রোববার (১১ অক্টোবর) নিহতের দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। এদিকে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ এ পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর সকালে ইসলামপুর পৌরসভার দক্ষিণ ভেঙ্গুড়া এলাকায় বসতবাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ওই দিন প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মো. সোজার বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বসতঘর ভাঙচুরের প্রতিবাদ করলে সার ব্যবসায়ী আতাউর রহমানের ওপর চড়াও হয় হামলাকারীরা। তারা লোহার শাবল, হাতুড়ি, রড ও লাঠিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত ও কুপিয়ে আতাউর রহমানকে গুরুতর জখম করেন। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলাকারীরা তাণ্ডব চালিয়ে বসতঘরের টিনের বেড়া, ইটের দেয়াল, টিউবওয়েল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য আহত হন।
নিহতের দাফন শেষে আয়োজিত বিক্ষোভে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বক্তব্য দেন আরিফুল ইসলাম আজিম, মোহাম্মদ বিপুল মিয়া, মোবারক হোসেন, নূর ইসলাম, আবুল কাসেম ও রিয়াজুল ইসলাম। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এদিকে নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে, মামলা তুলে নিতে এবং এ বিষয়ে মুখ না খুলতে আসামিপক্ষের লোকজন তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। এতে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন