ফরিদপুরের ৯টি উপজেলায় সারের নতুন ডিলারশিপ নিয়োগকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কৃষকদের সময়মতো ও নিয়মিত সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার নতুন করে সারের ডিলারশিপের আবেদন আহ্বান করে। দলের ত্যাগী ও হামলা-মামলায় নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীরা এই ডিলারশিপ পাওয়ার কথা থাকলেও, সুবিধাবাদীরা তা বাগিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে জেলা বিএনপির বহু ত্যাগী নেতাকর্মী লিখেছেন, যারা নিয়মিত সংগঠনের সঙ্গে জড়িত নন, এ ধরনের ব্যক্তিরা সারের ডিলারশিপ পেয়েছেন। কারও কারও কাছ থেকে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা করে নিয়ে লাইসেন্স দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। কোনো প্রকার নিয়মকানুন না মেনে সারের ডিলারশিপ দেওয়ায় নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির কর্মীরা সার কমিটির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন। তবে প্রশাসন কিংবা সার কমিটির সদস্যরা এই প্রতিবাদকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলে দাবি আন্দোলনকারীদের।
ফরিদপুর সদর উপজেলা বিএনপির ত্যাগী নেতা নান্টু খান তার ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে পোস্ট দিয়েছেন, ‘আমার সারের লাইসেন্স লাগবে না, বিএডিসি’র কন্ট্রাক্ট গুডাউনসের বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের ডিলারশিপ চাই।’
একইভাবে আলীয়াবাদ ইউনিয়নের বিএনপির এক সদস্য গত ২৫ সেপ্টেম্বর সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ‘একদিকে অর্থের বিনিময়ে সার ডিলার নিয়োগের পাঁয়তারা, অন্যদিকে দেশ-বিদেশ থেকে বিএনপির নামধারী টাকাওয়ালারা তাদের আত্মীয়স্বজনদের জন্য মোবাইল ফোনে তদবির করছেন। এমন সময় গেছে যখন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার লোক পাইনি, অথচ এখন চারপাশে শুধু বিএনপি।’ এরকম শতাধিক নেতাকর্মী সামাজিক মাধ্যমে ডিলারশিপ বাণিজ্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
তবে সারের ডিলারশিপের বিষেয় জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত শীর্ষ নেতারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, সার ডিলার নিয়োগের জন্য একটি কমিটি রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উক্ত কমিটির সভাপতি এবং সদস্য সচিব হলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। তাদের মাধ্যমে আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে সারের লাইসেন্স দেওয়া হয়। টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স দেওয়া হয়ে থাকলে এর যাবতীয় দায়দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপরই বর্তায়।
অভিযোগের বিষয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘সারের লাইসেন্স সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। কারও কাছ থেকে কোনো টাকা-পয়সা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা লাইসেন্স পাননি, তারা তো বলবেনই যে টাকার বিনিময়ে দেওয়া হয়েছে। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
ফরিদপুরের ৯টি উপজেলায় সারের নতুন ডিলারশিপ নিয়োগকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কৃষকদের সময়মতো ও নিয়মিত সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার নতুন করে সারের ডিলারশিপের আবেদন আহ্বান করে। দলের ত্যাগী ও হামলা-মামলায় নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীরা এই ডিলারশিপ পাওয়ার কথা থাকলেও, সুবিধাবাদীরা তা বাগিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে জেলা বিএনপির বহু ত্যাগী নেতাকর্মী লিখেছেন, যারা নিয়মিত সংগঠনের সঙ্গে জড়িত নন, এ ধরনের ব্যক্তিরা সারের ডিলারশিপ পেয়েছেন। কারও কারও কাছ থেকে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা করে নিয়ে লাইসেন্স দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। কোনো প্রকার নিয়মকানুন না মেনে সারের ডিলারশিপ দেওয়ায় নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির কর্মীরা সার কমিটির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন। তবে প্রশাসন কিংবা সার কমিটির সদস্যরা এই প্রতিবাদকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলে দাবি আন্দোলনকারীদের।
ফরিদপুর সদর উপজেলা বিএনপির ত্যাগী নেতা নান্টু খান তার ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে পোস্ট দিয়েছেন, ‘আমার সারের লাইসেন্স লাগবে না, বিএডিসি’র কন্ট্রাক্ট গুডাউনসের বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের ডিলারশিপ চাই।’
একইভাবে আলীয়াবাদ ইউনিয়নের বিএনপির এক সদস্য গত ২৫ সেপ্টেম্বর সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ‘একদিকে অর্থের বিনিময়ে সার ডিলার নিয়োগের পাঁয়তারা, অন্যদিকে দেশ-বিদেশ থেকে বিএনপির নামধারী টাকাওয়ালারা তাদের আত্মীয়স্বজনদের জন্য মোবাইল ফোনে তদবির করছেন। এমন সময় গেছে যখন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার লোক পাইনি, অথচ এখন চারপাশে শুধু বিএনপি।’ এরকম শতাধিক নেতাকর্মী সামাজিক মাধ্যমে ডিলারশিপ বাণিজ্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
তবে সারের ডিলারশিপের বিষেয় জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত শীর্ষ নেতারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, সার ডিলার নিয়োগের জন্য একটি কমিটি রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উক্ত কমিটির সভাপতি এবং সদস্য সচিব হলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। তাদের মাধ্যমে আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে সারের লাইসেন্স দেওয়া হয়। টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স দেওয়া হয়ে থাকলে এর যাবতীয় দায়দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপরই বর্তায়।
অভিযোগের বিষয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘সারের লাইসেন্স সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। কারও কাছ থেকে কোনো টাকা-পয়সা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা লাইসেন্স পাননি, তারা তো বলবেনই যে টাকার বিনিময়ে দেওয়া হয়েছে। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’

আপনার মতামত লিখুন