যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি অংশের ক্ষোভ ও তীব্র স্লোগানের মুখে পড়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
গত সোমবার বিকেল ৪টায় কাতারের রাজধানী দোহা থেকে কাতার এয়ারওয়েজের ‘ফ্লাইট ৭০১’ যোগে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন ড. ইউনূস। বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৮ দিয়ে একটি হুইলচেয়ারে করে তিনি যখন বের হচ্ছিলেন, ঠিক তখনই আগে থেকেই সেখানে অবস্থান নেওয়া একদল প্রবাসী বাংলাদেশি তাকে দেখতে পেয়ে একযোগে বিভিন্ন ধরনের 'প্রতিবাদী' স্লোগান দিতে শুরু করেন।
উপস্থিত বিক্ষোভকারীরা সরাসরি তার দিকে ইঙ্গিত করে উচ্চস্বরে চিৎকার করে বলতে থাকেন, “আপনি সন্ত্রাসী! আপনি বাংলাদেশিদের হত্যা করেছেন! আপনি বাংলাদেশকে ধ্বংস করেছেন! ফিরে যান! আপনি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে! আপনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে!”
বিমানবন্দর টার্মিনালে হঠাৎ করেই এমন আকস্মিক ও হট্টগোলপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার সঙ্গে থাকা সহকর্মী ল্যামিয়া মোরশেদ এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাসহ অন্যান্য সঙ্গীদের নিয়ে দ্রুত বিমানবন্দরের ভেতরে নিরাপদ স্থানে সরে যান।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি অংশের ক্ষোভ ও তীব্র স্লোগানের মুখে পড়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
গত সোমবার বিকেল ৪টায় কাতারের রাজধানী দোহা থেকে কাতার এয়ারওয়েজের ‘ফ্লাইট ৭০১’ যোগে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন ড. ইউনূস। বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৮ দিয়ে একটি হুইলচেয়ারে করে তিনি যখন বের হচ্ছিলেন, ঠিক তখনই আগে থেকেই সেখানে অবস্থান নেওয়া একদল প্রবাসী বাংলাদেশি তাকে দেখতে পেয়ে একযোগে বিভিন্ন ধরনের 'প্রতিবাদী' স্লোগান দিতে শুরু করেন।
উপস্থিত বিক্ষোভকারীরা সরাসরি তার দিকে ইঙ্গিত করে উচ্চস্বরে চিৎকার করে বলতে থাকেন, “আপনি সন্ত্রাসী! আপনি বাংলাদেশিদের হত্যা করেছেন! আপনি বাংলাদেশকে ধ্বংস করেছেন! ফিরে যান! আপনি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে! আপনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে!”
বিমানবন্দর টার্মিনালে হঠাৎ করেই এমন আকস্মিক ও হট্টগোলপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার সঙ্গে থাকা সহকর্মী ল্যামিয়া মোরশেদ এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাসহ অন্যান্য সঙ্গীদের নিয়ে দ্রুত বিমানবন্দরের ভেতরে নিরাপদ স্থানে সরে যান।

আপনার মতামত লিখুন