ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের একের পর এক ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৪১ বছর বয়সী এই রাজপুত্রকে কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনীতে বাংকার-সুবিধাসম্পন্ন বিভিন্ন সুরক্ষিত রাজপ্রাসাদে দফায় দফায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ৬ অক্টোবর একটি জাতীয় রক্তদান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে রক্ত দেওয়ার পর থেকে সৌদি যুবরাজকে আর কোনো প্রকাশ্যে বা লোকচক্ষুর সামনে দেখা যায়নি। সম্প্রতি দেশটির রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের একটি বড় ধরনের হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি মানুষ আহত হন।
টানা পাঁচ দিনে উক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে চারবার হামলার ঘটনা ঘটে। ক্রমাগত আকাশপথের এই আক্রমণ ও দেশের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তৈরি হওয়া গভীর উদ্বেগের কারণেই মূলত বিশেষ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দল যুবরাজকে গোপনীয়তা বজায় রেখে এক প্রাসাদ থেকে অন্য নিরাপদ প্রাসাদে স্থানান্তর করছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তৈরি হয়েছে বড় ধরনের তোলপাড়। উদ্ভূত সংঘাত নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের চলমান বিমান হামলায় যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়টি এখন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
রাজধানী রিয়াদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে ধারাবাহিক হামলা অব্যাহত থাকায় পুরো অঞ্চলের সীমান্ত নিরাপত্তা ও রাজপরিবারের সার্বিক সুরক্ষা এখন চরম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের একের পর এক ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৪১ বছর বয়সী এই রাজপুত্রকে কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনীতে বাংকার-সুবিধাসম্পন্ন বিভিন্ন সুরক্ষিত রাজপ্রাসাদে দফায় দফায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ৬ অক্টোবর একটি জাতীয় রক্তদান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে রক্ত দেওয়ার পর থেকে সৌদি যুবরাজকে আর কোনো প্রকাশ্যে বা লোকচক্ষুর সামনে দেখা যায়নি। সম্প্রতি দেশটির রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের একটি বড় ধরনের হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি মানুষ আহত হন।
টানা পাঁচ দিনে উক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে চারবার হামলার ঘটনা ঘটে। ক্রমাগত আকাশপথের এই আক্রমণ ও দেশের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তৈরি হওয়া গভীর উদ্বেগের কারণেই মূলত বিশেষ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দল যুবরাজকে গোপনীয়তা বজায় রেখে এক প্রাসাদ থেকে অন্য নিরাপদ প্রাসাদে স্থানান্তর করছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তৈরি হয়েছে বড় ধরনের তোলপাড়। উদ্ভূত সংঘাত নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের চলমান বিমান হামলায় যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়টি এখন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
রাজধানী রিয়াদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে ধারাবাহিক হামলা অব্যাহত থাকায় পুরো অঞ্চলের সীমান্ত নিরাপত্তা ও রাজপরিবারের সার্বিক সুরক্ষা এখন চরম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন